শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকাল চারটায় সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। পদত্যাগের পর ঢাকা উত্তর সিটির গুলশানে অবস্থিত নিজের ব্যক্তিগত বাসভবনে ওঠার প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।
সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ কার্যকর করতে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিতে হয়। এদিকে চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে থাকা স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ নির্ধারিত সময়ের আগেই শুক্রবার দেশে ফিরেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, ‘কয়েক দিন আগে রাষ্ট্রপতি অধস্তন কর্মকর্তাদের চলতি মাসের মধ্যেই বঙ্গভবন ছাড়ার জন্য মৌখিক নির্দেশনা দিয়েছেন।’
ওই কর্মকর্তার দাবি, পদত্যাগের পর রাষ্ট্রপতি গুলশানের নিজ বাসভবনে অবস্থান করবেন। এরপর স্বাস্থ্যগত কারণে চিকিৎসা ও বিশ্রামের উদ্দেশ্যে বিদেশে যাওয়ারও পরিকল্পনা রয়েছে।
সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। আর সংবিধানের ১২৩ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।
প্রসঙ্গত, মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন। দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন সময় তিনি মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই দায়িত্ব ছাড়ার ইচ্ছার কথা প্রকাশ্যে উল্লেখ করেছিলেন। সর্বশেষ তিনি বলেছিলেন, সরকার চাইলে দায়িত্বে থাকবেন, অন্যথায় স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করবেন।
কেকে/এমএ