আজ উদ্বোধন হবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর উদ্বোধন করবেন।
জাদুঘরটি সবার জন্য উন্মুক্ত হবে বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট)। সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানান, জাদুঘর নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পেলে; তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণ, সংগ্রামের ইতিহাস, আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে স্মৃতি জাদুঘর। ৫ আগস্ট সকালে জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের বিস্তারিত তুলে ধরে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়।
সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, ৬ আগস্ট থেকে জাদুঘরটি সবার জন্য উন্মুক্ত হবে। শিশুদের প্রবেশ মূল্য ২৫ এবং প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য ৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতি মন্ত্রী জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর নিয়ে কারো বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অনিয়মের অভিযোগ পেলে তদন্ত করা হবে।
উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ও প্রদর্শনী পরিদর্শন করবেন এবং সংরক্ষিত নিদর্শন, আলোকচিত্র, দলিলপত্র ও স্মারকসমূহ পরিদর্শনের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস সম্পর্কে অবহিত হবেন।
সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের ফ্যাসিবাদ বিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় মাইলফলক জুলাই গণঅভ্যুত্থান এর গৌরবময় স্মৃতি সংরক্ষণ, সংগ্রামের প্রকৃত ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং শহিদ ও জুলাই যোদ্ধাদের আত্মত্যাগের স্মারক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর।’
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীরত্বগাথা ও আত্মত্যাগের স্মৃতিচারণ করে জুলাই যোদ্ধা এবং জুলাই শহিদ পরিবারের সদস্যগণ বক্তব্য প্রদান করবেন।
এছাড়া, অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ, গণমানুষের অংশগ্রহণ এবং বিজয়ের ইতিহাস ভিত্তিক একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে বলে জানান মন্ত্রী।
কেকে/এলএ