সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম: তিন মাসে কোটিপতি আমানতকারী বেড়েছে পাঁচ হাজার      ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত, ভোট শুরু ১২ নভেম্বর       হাম উপসর্গে আরও আটজনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১২৩২      আগামীকাল থেকে শিল্প-কারখানায় গ্যাস-বিদ্যুৎ স্বাভাবিক করার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর      ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক চাই, তবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে: স্পিকার      ওবায়দুল কাদেরসহ সাত নেতার বিরুদ্ধে মামলার রায় মঙ্গলবার      ইন্দোনেশিয়ায় জাহাজডুবিতে এখনও নিখোঁজ ১২৯, উদ্ধারে জোর তৎপরতা      
জাতীয়
পদত্যাগের শেষ মুহূর্তেও আন্দোলনের পরিস্থিতি জানতে চেয়েছিলেন হাসিনা
খোলা কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ২:৫৭ পিএম
ছবি : শেখ হাসিনা/ সংগৃহীত

ছবি : শেখ হাসিনা/ সংগৃহীত

গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশত্যাগের আগে কুর্মিটোলা বিমানঘাঁটিতে উপস্থিত কর্মকর্তাদের কাছে আন্দোলনের সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সামরিক ও নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, হেলিকপ্টার থেকে নেমে কয়েক মিনিটের কথোপকথনেই তিনি গণভবনের পরিস্থিতি ও রাজধানীর সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে অবগত হন।

সামরিক সূত্রগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, ৫ আগস্ট দুপুরে গণভবনের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানাকে বিমানবাহিনীর একটি এমআই-১৭ হেলিকপ্টারে করে কুর্মিটোলা বিমানঘাঁটিতে নেওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই ভারতের উদ্দেশে যাত্রার জন্য একটি সি-১৩০ জুলিয়েট সামরিক পরিবহন বিমান প্রস্তুত রাখা হয়েছিল।

সূত্রগুলো জানায়, কুর্মিটোলা বিমানঘাঁটিতে পৌঁছে হেলিকপ্টার থেকে নামার পর শেখ হাসিনা উপস্থিত কয়েকজন সামরিক কর্মকর্তার সঙ্গে সংক্ষিপ্ত সময় কথা বলেন। এ সময় তিনি আন্দোলনের সর্বশেষ পরিস্থিতি এবং রাজধানীর অবস্থা সম্পর্কে জানতে চান। কর্মকর্তারা তাকে গণভবনমুখী জনস্রোত ও অভ্যুত্থানের সামগ্রিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ধারণা দেন। এর মাধ্যমে দেশের মাটিতে দাঁড়িয়েই তিনি রাজনৈতিক পরিস্থিতির চূড়ান্ত রূপ সম্পর্কে অবহিত হন বলে সূত্রগুলোর দাবি।

নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, কুর্মিটোলা বিমানঘাঁটিতে আগে থেকেই ইঞ্জিন চালু অবস্থায় একটি সামরিক পরিবহন বিমান অপেক্ষমাণ ছিল। সেখানে শেখ হাসিনার তৎকালীন নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকীর পরিবারের সদস্যরা অবস্থান করছিলেন। যদিও আরেকটি সামরিক সূত্রের দাবি, তারিক আহমেদ সিদ্দিকী নিজে ওই বিমানে ছিলেন না এবং পরবর্তীতে অন্য পথে দেশত্যাগ করেন।

সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ভারতের উদ্দেশে যাওয়া সামরিক বিমানের পাইলট ছিলেন এয়ার কমোডর শামীম রেজা এবং কো-পাইলট ছিলেন উইং কমান্ডার মাহফুজ। বিকাল ৬টা ১৫ মিনিটে বিমানটি ভারতের দিল্লির উপকণ্ঠে হিন্দন বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে।

নিরাপত্তাজনিত কারণে উড্ডয়নের সময় বিমানের ট্রান্সপন্ডার বন্ধ রাখা হয় এবং প্রচলিত রুটের পরিবর্তে বিকল্প রুট ব্যবহার করা হয় বলে সূত্রগুলো জানায়। ভারতের আকাশসীমায় প্রবেশের পর বিমানটি কলকাতার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ করে।

এদিকে, গণভবন থেকে কুর্মিটোলা এবং সেখান থেকে ভারতে পৌঁছে দেওয়া পর্যন্ত পুরো উদ্ধার অভিযানের সমন্বয়ের দায়িত্বে বিমানবাহিনীর তৎকালীন কর্মকর্তা গ্রুপ ক্যাপ্টেন আবু সালেহ মান্নাফি ছিলেন বলেও একটি সামরিক সূত্র জানিয়েছে।

কেকে/এলেএ 



আরও সংবাদ   বিষয়:  হাসিনা  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

জাতীয়- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close