শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬,
১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম: ● চার দিনের জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী      ● এলপিজির কমিশন বাড়ানোর প্রস্তাব, বাড়তে পারে সিলিন্ডারের দাম      ● দুই ঘণ্টা পর মিরপুর-১০ ছাড়লেন পোশাকশ্রমিকেরা, যান চলাচল স্বাভাবিক      ● মানবতাবিরোধী অপরাধে হানিফের মৃত্যুদণ্ড      ● ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন : জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী বিএনপি প্রার্থী      ● তেল-গ্যাসে নাভিশ্বাস      ● ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন : শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ, লড়াইয়ে ৫ প্রার্থী      
আইন-আদালত
‘রাষ্ট্রের শত্রু’ আখ্যা দিয়ে টিভি বন্ধের পরিকল্পনা কাদের-আরাফাতের
খোলা কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১৪ পিএম
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দমনে তৎকালীন সরকারের পরিকল্পিত কৌশলের চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে ওবায়দুল কাদের ও মোহাম্মদ এ আরাফাতের ফোনালাপে। আন্দোলনের ভিডিও বা ছবি প্রচার করলে টেলিভিশন চ্যানেলকে ‘রাষ্ট্রের শত্রু’ ঘোষণা করে বন্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পনা, গণমাধ্যমে সেন্সরশিপ এবং আন্দোলনকারীদের বিভাজনের কৌশল নিয়ে তাদের কথোপকথন আজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ২-এ উপস্থাপন করবে প্রসিকিউশন।

ফোনালাপে দেখা যায়, জুলাই মাসে আন্দোলন দমনে সরকারের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমের ওপর সেন্সরশিপ আরোপ করা হয়েছিল। মোহাম্মদ এ আরাফাত ওবায়দুল কাদেরকে নিশ্চিত করেন যে, সংঘাত বা মারামারির কোনো ভিডিও ফুটেজ বা ছবি প্রচার করলে সংশ্লিষ্ট টিভি চ্যানেলকে ‘এনিমি অফ দা স্টেট’ (রাষ্ট্রের শত্রু) হিসেবে ঘোষণা করে চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া হবে। এই প্রক্রিয়া দ্রুত কার্যকর করার জন্য বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট কর্তৃপক্ষকে বিশেষ ‘ঢালাও পারমিশন’ দেওয়া হয়েছিল, যাতে কোনো উচ্চতর অনুমতি ছাড়াই তারা তাৎক্ষণিকভাবে যেকোনো চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ করে দিতে পারে।

আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে সরকারের উচ্চপর্যায়ে একটি সুনির্দিষ্ট কৌশল বা ‘ন্যারেটিভ’ তৈরি করা হয়েছিল। আরাফাত ফোনালাপে উল্লেখ করেন যে, তারা আন্দোলনকারীদের দুই ভাগে ভাগ করেছেন। এক পক্ষ হলো সাধারণ ছাত্র যাদের সাথে সরকার আলোচনা করছে, আর অন্য পক্ষ হলো ‘জামাত-বিএনপি সন্ত্রাসী’ যাদের কঠোরভাবে দমন করা হবে। আরাফাত এই সুপরিকল্পিত বিভাজনকে একটি ‘সুন্দর ভাগ’ হিসেবে অভিহিত করেন।

কথোপকথন থেকে আরও জানা গেছে, এই পুরো দমনমূলক কর্মকাণ্ড সরাসরি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী (যাকে ফোনালাপে ‘নেত্রী’ সম্বোধন করা হয়েছে) এবং ওবায়দুল কাদেরের সমন্বয়ে পরিচালিত হচ্ছিল। ওবায়দুল কাদের সেই সময় দলীয় কার্যালয় থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছিলেন এবং গণভবনে আলোচনার জন্য আরাফাতকে তলব করেছিলেন।

কেকে/এলএ



মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

আইন-আদালত- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close