চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে বড় ধরনের ফল বিপর্যয় হয়েছে। উপজেলার ৪৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এবার গড় পাসের হার ৫৫ দশমিক ৩১ শতাংশ। এর মধ্যে ১৯টি বিদ্যালয়ের পাসের হার ৫০ শতাংশের নিচে এবং পাঁচটি বিদ্যালয়ের পাসের হার ৩০ শতাংশেরও কম।
এবার পটিয়ার ৪৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ৫ হাজার ৭৪৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। পাস করেছে ৩ হাজার ১৭৯ জন।
সবচেয়ে কম পাসের হার শাহ আমিন উচ্চ বিদ্যালয়ে। বিদ্যালয়টির ৬৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১৩ জন। পাসের হার ১৯ দশমিক ৪০ শতাংশ। বাথুয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫৮ জনের মধ্যে পাস করেছে ১৫ জন, পাসের হার ২৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ। চক্রশালা কৃষি উচ্চ বিদ্যালয়ে ২৮২ জনের মধ্যে পাস করেছে ৭৩ জন, পাসের হার ২৫ দশমিক ৮৯ শতাংশ। হাইদগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৯১ জনের মধ্যে পাস করেছে ৫৩ জন, পাসের হার ২৭ দশমিক ৭২ শতাংশ। আজিমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৮ জনের মধ্যে পাস করেছে পাঁচজন, পাসের হার ২৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ।
এদিকে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের তুলনায় মাদ্রাসার ফলাফল ভালো হয়েছে। উপজেলার ২৩টি মাদ্রাসা থেকে ৮৬৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৬২৯ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০ জন। পাসের হার ৭২ দশমিক ৭২ শতাংশ। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ছয়টি প্রতিষ্ঠানে ৩৫৩ জনের মধ্যে পাস করেছে ১৮৫ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে পাঁচজন। পাসের হার ৫২ দশমিক ৪১ শতাংশ।
পটিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দীপেন কান্তি বলেন, “শিক্ষকদের আন্তরিকতা আরও বাড়ানো গেলে ফলাফল বিপর্যয় ঠেকানো সম্ভব হতো। এবারের ৫৫ দশমিক ৩১ শতাংশ পাসের হার সন্তোষজনক নয়।”
তবে ফলাফলের বিপর্যয়ের মধ্যেও ভালো করেছে চিটাগাং আইডিয়াল হাই স্কুল, পটিয়া হরিণখাইন ক্যাম্পাস। ১০৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৯৬ জন পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০ জন। পাসের হার ৯৩ দশমিক ২০ শতাংশ।
জিপিএ-৫ প্রাপ্তির দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে আবদুর রহমান সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। ২৪৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২০৪ জন পাস করেছে এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৫ জন। পাসের হার ৮২ দশমিক ২৬ শতাংশ।
কেকে/সাশ