পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। তবে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা সেবায় অধিকাংশ রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন। গত এক সপ্তাহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৫ জন ডেঙ্গু রোগী। যাদের মধ্যে ১১ জনই ইতোমধ্যে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৪ জন।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) ডা. মীর শহিদুল হাসান শাহীন এ সব তথ্য জানিয়েছেন।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ঘুরে দেখা যায়, জ্বর, তীব্র শরীর ব্যথা ও দুর্বলতা নিয়ে আসা রোগীদের দ্রুগতম সময়ে ডেঙ্গু পরীক্ষা করানো হচ্ছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ডেঙ্গু শনাক্ত হওয়ার পরপরই বিশেষ ব্যবস্থাপনায় চিকিৎসা শুরু হওয়ায় দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছেন রোগীরা।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর স্বজন লিটন বলেন, ‘শুরুতে আমরা বেশ আতঙ্কে ছিলাম। তবে ভর্তি করানোর পর চিকিৎসকদের নিয়মিত তদারকি ও চিকিৎসায় রোগীর অবস্থা এখন অনেকটাই ভালো।’
চিকিৎসারত রোগী রায়হান বলেন, ‘অন্য হাসপাতালের থেকে এখানে নার্স এবং ডাক্তাররা অনেক ভালো দেখাশোনা করেন।’
ডা. মীর শহিদুল হাসান শাহীন বলেন, ‘আমাদের হাসপাতালে পর্যাপ্ত পরিমাণ ডেঙ্গু শনাক্তকরণ কিট ও প্রয়োজনীয় ঔষধ মজুদ আছে। আমরা সার্বক্ষণিক রোগীদের খোঁজখবর ও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।’
এদিকে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কেবল চিকিৎসাসেবা যথেষ্ট নয়, মূল প্রতিরোধ গড়তে হবে সচেতনতার মাধ্যমে। তারা বর্ষাকালে বাসা-বাড়ির আশপাশে জমে থাকা পানি অপসারণ, আঙিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং জ্বর দেখা দিলে কালক্ষেপণ না করে দ্রুত ডেঙ্গু পরীক্ষা ও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানান।
কেকে/এআই