রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬,
২ কার্তিক ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম: ● দেশের বড় পরিবর্তনে তরুণদের শক্তি ও সাহসই গুরুত্বপূর্ণ : তারেক রহমান      ● প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা বাড়বে : প্রধানমন্ত্রী      ● শ্রীলঙ্কাজুড়ে বিদ্যুৎ বিপর্যয়      ● স্ত্রীসহ পরিবারের আট সদস্য হারিয়ে নির্বাক আশিক      ● ডেঙ্গুর বিষাক্ত ছোবলে ২৪ ঘণ্টায় সাতজনের মৃত্যু      ● গাজীপুরে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ছয় ইউনিট      ● বিমানের রিয়াদগামী সব ফ্লাইট স্থগিত      
আইন-আদালত
শেখ হাসিনার আর আপিলের সুযোগ নেই : চিফ প্রসিকিউটর
খোলা কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:২৩ পিএম আপডেট: ০৭.০৯.২০২৬ ৪:৩০ পিএম
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

শেখ হাসিনার আর আপিলের সুযোগ নেই বলে উল্লেখ করেছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে নির্ধারিত ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে আর সেই সুযোগ থাকে না।”

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে আবুল কালাম আজাদের আপিল প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আইন সবার জন্য সমান মন্তব্য করে তিনি বলেন, “পলাতক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ হোক কিংবা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা—নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে গেলে আপিলের সুযোগ নেই।”

আমিনুল ইসলাম বলেন, “মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন ট্রাইব্যুনাল। তিনি যেকোনো কারণেই হোক, দীর্ঘদিন দেশে ছিলেন না। আপিলও করেননি। আমাদের আইনের ২১-এর ৩-এ পরিষ্কার বলা হয়েছে, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এর মধ্যে আপিল করা না হলে তা আর গ্রহণযোগ্য হবে না। সেটা যে কারও ক্ষেত্রেই হোক। পলাতক বা কারাগারে থাকলেও ৩০ দিনের মধ্যে আপিল ফাইল করতে হবে। অর্থাৎ সেটা শেখ হাসিনা কিংবা মাওলানা আবুল কালাম আজাদ—যে কারও ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।”

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, “কিছুদিন আগে আপিল বিভাগে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের মামলা নিয়ে শুনানি হয়। প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে আমি এসব আইন দেখিয়েছি। এ ছাড়া মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিলটি এখনও গ্রহণই করেননি আপিল বিভাগ। সে ক্ষেত্রে আপিল বিভাগের সামনে এখন কোনো পেন্ডিং প্রসিডিং নেই। আমার মনে হয়, আবুল কালাম আজাদের আইনজীবীরাও আইনগত বিষয়টি সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছেন। এ কারণেই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ তারা আর নেননি।”

সরকার যেকোনো সাজা স্থগিত করতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে কেউ যদি আপিল না করেন, তাহলে অন্য কোনো ফোরামেও আর আইনগত প্রতিকার চাওয়ার উপায় থাকবে না। অতএব, ট্রাইব্যুনালে হওয়া রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে যদি ৩০ দিন অতিক্রান্ত হয়ে যায়, তাহলে সেটি বাস্তবায়ন করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প আছে বলে আমার কাছে মনে হয় না। তবে যেকোনো সাজা স্থগিত করতে পারে সরকার। এটি সরকারের একটি ইনহেরেন্ট পাওয়ার, তথা অন্তর্নিহিত বা সহজাত ক্ষমতা। তারা যে কারও ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করতে পারে, আবার কারও ক্ষেত্রে নাও করতে পারে। এটা সরকারের ইচ্ছা।”


কেকে/সাশ 



আরও সংবাদ   বিষয়:  শেখ হাসিনা   আপিল   চিফ প্রসিকিউটর  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

আইন-আদালত- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close