ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, ‘নিরাপদ ও যথাযথ ক্ষমতা হস্তান্তর’ না হওয়া পর্যন্ত ভেনেজুয়েলা যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) ভোরে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন এলাকায় সামরিক অভিযান চালানো হয় বলে জানিয়েছে রয়টার্স।
অভিযানের সময় বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটে এবং কয়েকটি সামরিক স্থাপনায় হামলা হয়। পরে মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করে হেলিকপ্টারে একটি মার্কিন নৌজাহাজে নেওয়া হয় এবং সেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়।
নিউইয়র্কে পৌঁছানোর পর মাদুরোকে কড়া নিরাপত্তায় ব্রুকলিনের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়েছে। মার্কিন বিচার বিভাগ জানিয়েছে, মাদক পাচার ও নার্কো-সন্ত্রাসবাদসহ একাধিক অভিযোগে সোমবার ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে তার প্রাথমিক শুনানি হবে।
ফ্লোরিডার মার-এ-লাগোতে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, “নিরাপদ, যথাযথ ও বিচারসম্মত রূপান্তর না হওয়া পর্যন্ত আমরা ভেনেজুয়েলা পরিচালনা করব।” প্রয়োজনে দেশটিতে মার্কিন সেনা মোতায়েনের কথাও জানান তিনি।
এর আগে, শনিবার বিকেলে ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে এ ঘটনাকে ‘অপহরণ’ বলে আখ্যা দেন। তিনি বলেন, “আমরা প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসের অবিলম্বে মুক্তি দাবি করছি।” একই সঙ্গে তিনি মাদুরোকেই ভেনেজুয়েলার একমাত্র বৈধ প্রেসিডেন্ট বলে উল্লেখ করেন। দেশটির একটি আদালত রদ্রিগেজকে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছে।
কেকে/ এমএস