শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬,
৭ ভাদ্র ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম: হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু      রাষ্ট্রপতির শপথ-দায়িত্বভার গ্রহণের প্রজ্ঞাপন জারি      নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা      রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ মির্জা ফখরুলের      প্রতিমন্ত্রী থেকে পূর্ণমন্ত্রী হলেন রশিদুজ্জামান মিল্লাত      কে কোন দায়িত্ব পাচ্ছেন শপথ নেওয়া ছয় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী      আপনার সাথে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি : মির্জা ফখরুলকে ভারতের রাষ্ট্রপতি      
দেশজুড়ে
হাতিয়ায় নদী ভাঙন, জিও ব্যাগের দাবিতে মানববন্ধন
হাতিয়া (নোয়াখালী) প্রতিনিধি
প্রকাশ: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:৪৫ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

শীত মৌসুম চললেও থামছে না নদী ভাঙন। নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার চরকিং ইউনিয়নের চর বগুলা গ্রামে অব্যাহত নদী ভাঙনে চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে বেড়িবাঁধ ও পুরো জনপদ। স্থানীয়দের আশঙ্কা, বর্ষার আগেই ভাঙন রোধ করা না গেলে যে কোনো সময় বেড়িবাঁধ ভেঙে গ্রাম প্লাবিত হতে পারে। এ অবস্থায় শীত মৌসুমেই জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলে নদী ভাঙন রোধের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন চর বগুলা গ্রামের বাসিন্দারা।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে গ্রামের পশ্চিম পাশে নদীতীরে আয়োজিত মানববন্ধনে প্রায় তিন শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন। এতে বৃদ্ধ, যুবক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কৃষক ও ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ একাত্মতা প্রকাশ করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রায় ৩০ বছর ধরে চর বগুলা গ্রামটি নদী ভাঙনের শিকার। আগে ভাঙনের গতি তুলনামূলক কম থাকলেও বর্তমানে তা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। মাঝ নদীতে ডুবো চর জেগে ওঠায় স্রোতের দিক পরিবর্তন হওয়ায় এই এলাকায় ভাঙনের তীব্রতা বহুগুণে বেড়েছে।

তারা জানান, নদী ভাঙতে ভাঙতে এখন বেড়িবাঁধের একেবারে কাছাকাছি চলে এসেছে। এই বেড়িবাঁধ ভেঙে গেলে ভাঙনের গতি কয়েক গুণ বেড়ে যাবে। তখন গ্রামের একমাত্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চারটি মসজিদ, একটি বাজারসহ অসংখ্য বসতঘর মুহূর্তেই নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

নদীর একেবারে তীরে অবস্থিত চর বগুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি তিনতলা বিশিষ্ট। বর্তমানে সেখানে প্রায় চার শতাধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল বাসার বলেন, “প্রতিদিন বিদ্যালয়ে বসে নদীর গর্জন শুনতে হয়। বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ার আগেই ভাঙন রোধ করা না গেলে পরে তা নিয়ন্ত্রণ করা খুবই কঠিন হবে। তখন ভাঙন ঠেকাতে অনেক বেশি অর্থের প্রয়োজন হবে। এখন মাত্র এক কিলোমিটার এলাকায় জিও ব্যাগ ফেললেই বড় ধরনের ক্ষতি থেকে গ্রামটিকে রক্ষা করা সম্ভব। বিষয়টি আমরা একাধিকবার পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানিয়েছি। তারা এসে এলাকা পরিদর্শনও করে গেছেন।”

এ বিষয়ে হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন বলেন, “চর বগুলা গ্রামের পশ্চিম পাশে নদী ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। বর্ষার আগে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে স্থানীয়রা আবেদন করেছেন। এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আগামী দু–এক দিনের মধ্যেই আমরা সংশ্লিষ্টদের নিয়ে এলাকা পরিদর্শনে যাব।”

এদিকে, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

কেকে/ আরআই


আরও সংবাদ   বিষয়:  হাতিয়া   নদী ভাঙন   মানববন্ধন  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close