মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে শেরপুর পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শফিকুল ইসলাম শফিককে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে।
মাদকের আস্তানা থেকে নিয়মিত অর্থ আদায় এবং মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠার পর এ প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই ওবায়দুল হাসান।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মৌলভীবাজার সদর উপজেলার সরকার বাজার এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। একাধিকবার পুলিশকে বিষয়টি জানানো হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, পুলিশের একটি অংশকে ম্যানেজ করে অভিযুক্তরা পুনরায় মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিল।
জানা গেছে, গত ৩১ জুলাই সরকার বাজার এলাকায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত মজনু মিয়াসহ কয়েকজনকে স্থানীয় বাসিন্দারা আটক করেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে গাঁজা ও ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরে খবর পেয়ে মৌলভীবাজার সদর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আটক ব্যক্তিদের নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং আইনগত প্রক্রিয়া শেষে থানায় নিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, পুলিশের উপস্থিতিতেই স্থানীয়রা এএসআই শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ তোলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে তাকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়।
অভিযোগের বিষয়ে এএসআই শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, লন্ডনপ্রবাসী সোহাগের এক ভাইকে পূর্বে আটক করার জেরে ক্ষুব্ধ হয়ে তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আনা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, অভিযোগগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে।
কেকে/ এমএস