ইসরায়েলে হাজার হাজার মানুষ গত কয়েক দিনে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। তারা গাজায় নিহত শেষ ইসরায়েলি জিম্মি রান গিভিলির দেহাবশেষ দ্রুত ফেরতের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার ব্যর্থতা তদন্তের জন্য রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠনেরও আহ্বান জানিয়েছে বিক্ষোভকারীরা।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, গিভিলির পরিবারের শহর মেইতারে একটি বিদ্যালয়ে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় তার বাবা-মা ইৎজিক ও তালিক গিভিলি মার্কিন প্রশাসনের সমালোচনা করেন। তারা অভিযোগ করেছেন, গাজায় যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপে অগ্রসর হওয়া ও যুদ্ধোত্তর গাজা ব্যবস্থাপনায় ‘বোর্ড অব পিস’ ঘোষণা করা হলেও চুক্তির প্রথম ধাপে হামাসের সব জিম্মি মুক্তির প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হয়নি।
ইৎজিক গিভিলি বলেন, “৭ অক্টোবর এবং রান সব বিভাজনের ঊর্ধ্বে মানুষকে একত্র করেছে। আজ ডান-বাম নির্বিশেষে সবাই একসঙ্গে দাঁড়িয়েছে। এটাই রানের পরিচয়।”
অন্যদিকে, তেল আবিবের হাবিমা স্কয়ারে সরকারবিরোধী সাপ্তাহিক বিক্ষোভে হাজারো মানুষ অংশ নেন। তারা রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠনে সরকারের অস্বীকৃতি ও বিচার ব্যবস্থার দুর্বলতার অভিযোগে প্রতিবাদ জানান। সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোশে ইয়ালোন বলেন, ইসরায়েলের আসল সংকট বাহ্যিক নয়, অভ্যন্তরীণ। তিনি বর্তমান সরকারকে ইরানের কর্তৃত্ববাদী শাসনের সঙ্গে তুলনা করেন এবং জানান, সরকারের দুর্নীতি ও ধর্মান্ধ নীতি ৭ অক্টোবর হত্যাযজ্ঞের পেছনে দায়ী।
কেকে/ আরআই