শেষ মুহুর্তে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলার ৩০তম আসরে ক্রেতা দর্শনার্থীদের আনাগোনা বেড়েছে । ছাড় পেয়ে খুশি ক্রেতা সাধারণ। আর পন্য বিক্রি ও প্রদর্শনীতে সফল দাবী ক্ষূদ্র ব্যবসায়ীদের। তবে বৃহত্তর ব্যবসায়ীরা তাদের পন্যের প্রদর্শনে তৃপ্ত রয়েছেন। যদি বরাবরের মতই পন্যের দাম ও মান নিয়ে বিস্তর অভিযোগ পাওয়া গেছে ।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকালে মেলায় প্রবেশকালে দেখা যায়, ঢাকা বাইপাস সড়কের কাঞ্চন ব্রিজ এলাকায় তীব্র যানজট। যানজট উপেক্ষা করেই মেলায় প্রবেশ করছেন হাজারো দর্শনার্থী। তবে প্রবেশ পথে হকার উৎপাতে বিব্রত প্রকাশ করেছেন কেউ কেউ।
পূর্বাচলের স্থায়ী প্যাভিলিয়নের ৫ম আসরটি বিগত সময়ের চেয়ে এ বছর বেশ জমজমাট ও পরিচ্ছন্ন। ভেতরে প্রবেশ করতেই দেখা যায় উপছে পড়া ভীর আর ক্রেতা দর্শনার্থীদের আনাগোনায় হাঁকডাকে সরগোলের ব্যস্ততা। হাতে ব্যাগ ভর্তি পন্যে ক্রেতাদের ছাড় পাওয়ার স্বস্তি আর গৃহস্থালি পন্যের পসরায় গৃহীনিদের ভীর ছিলো চোখে পড়ার মতো।
মাইজপাড়া এলাকা থেকে আসা দর্শনার্থী গ্রিণ ইউনির্ভাসিটির শিক্ষার্থী রকিব উদ্দীন ফয়সাল বলেন, মেলায় হরেক পন্যের স্টল রয়েছে ঠিকই তবে দাম কিছুটা বেশি। পূর্বাচলের খোলামেলা পরিবেশ দেখে এসেছিলাম। ভীরের কারনে মনমতো ঘুরে দেখা যাচ্ছে না। পাশাপাশি খেলার সরঞ্জাম চোখে পড়েনি। এতে আমরা হতাশ হয়েছি।
মেলায় আবাসন কোম্পানির জমি, প্লট, ফ্ল্যাট বিক্রয়, ফার্নিচার, নিত্যপন্য, বিদেশি পন্যের পাশাপাশি রয়েছে বেশ কয়েকটি আবাসন কোম্পানি। চলছে বিনিয়োগ অফার। বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান স্টল সাজিয়ে বিনিয়োগে আগ্রহীদের নিজস্ব পলিসি পরিকল্পনা বুঝাচ্ছেন। স্টল ম্যানেজার হাসিবুল আলম বলেন, অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে এবার মেলা হচ্ছে সফল।
কথা হয় মেলা এলাকায় সড়ক ও যানবাহন শৃঙ্খলায় নিয়োজিত গাজীপুর রিজিওনের পূর্বাচল ক্যাম্প ইনচার্জ ইন্সপেক্টর সোহেল রানার সঙ্গে। তিনি বলেন, মেলার আর বাকি ২ দিন। ফলে শেষের দিকে গাড়ীর চাপ বেড়েছে। এ সময় ছাড়ের লোভে দর্শনার্থীদের সমাগম হয়।
মেলা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, একই বেস্টনীতে লাখো পণ্যের সমাহারে মেলায় বৈচিত্র্য ফুটে ওঠেছে। তবে বিক্রি কম হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন কেউ কেউ। মেলায় এখন পর্যন্ত গৃহস্থালি পন্যের বিক্রিটাই বেড়েছে। ছাড় চলছে প্রায় সব পন্যে। যাতায়াত ব্যবস্থায় অসন্তোষ ছাড়াও পন্যের মান নিয়ে সন্দেহ করছেন ক্রেতারা।
কেকে/ এমএস