মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬,
৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম: একযোগে ১৭ ডেপুটি-সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ      বিকল লঞ্চ থেকে ৯৯৯-এ ফোন, ৮০ যাত্রী উদ্ধার      সেপ্টেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: ডা. জাহেদ      সালমান শাহর লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল      সুশাসন ও সংস্কার ছাড়া বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন      দেশজুড়ে কঠোর সতর্কতা      চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী      
ধর্ম
শবে বরাত গুনাহ মাফের এক সুবর্ণ সুযোগ
ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৩০ পিএম আপডেট: ০৩.০২.২০২৬ ১১:০২ পিএম
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

আল্লাহ তার বান্দাদের গুনাহ মাফের জন্য বলে দিয়েছেন অসংখ্য পথ ও পন্থা। পাপাচারের অন্ধকারে নিমজ্জিত বান্দাদের পাপ মোচনের জন্য দান করেন বিভিন্ন সুবর্ণ সুযোগ। যারা এ সুযোগ গ্রহণ করে তিনি তাদেরকে ক্ষমা করেন এবং করেন মর্যাদাবান। পাপকে পুন্যে রূপান্তরিত করে কলুষিত অন্তরকে আলোকিত করেন। এ সুযোগ সমূহের একটি হল শবে বরাত।

বর্তমানে শবে বরাত সম্পর্কে দুই শ্রেণির মানুষ দেখা যায়, যারা এ রাত নিয়ে প্রচন্ড বাড়াবাড়ি করে, অর্থাৎ বিভিন্ন রসম রেওয়াজ ও বিদআতি কর্মকান্ডের মাধ্যমে এ রাতকে উদ্যাপন করে। যা সম্পূর্ণ না জায়েজ এবং যারা প্রবল ছাড়াছাড়ি করে, অর্থাৎ তারা বলে ইসলামে শবে বরাতের কোন ভিত্তি নাই। শবে বরাতের সব হাদিসকে জঈফ, জাল আখ্যায়িত করে, মুসলমানদেরকে বিভ্রান্ত করে চলছে। উভয় শ্রেণির বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ি থেকে বের হয়ে মধ্যমপন্থা অবলম্বন করা ও মাগফিরাতের পথ দেখানোর জন্যই আমাদের এ আয়োজন।

শবে বরাতের ফজিলত ও প্রমাণ 

আল্লাহ শাবানের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতে সৃষ্টিকুলের দিকে রহমতের দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও হিংসুক ব্যতিত সবাইকে ক্ষমা করে দেন। (সহিহ ইবনে হিব্বান, হা. নং ৫৬৬৫)। বর্ণিত হাদিসটি আল্লামা আলবানি রহ. ইমাম তাইমিয়া রহ. এবং মুবারকপুরি রহ. প্রমুখগনের মতেও সহিহ। আল্লাহ অর্ধ শাবানের রাতে দুনিয়ার আকাশে আগমন করেন অত:পর কালব গোত্রের বকরির পশমের সংখ্যার চেয়েও বেশী মানুষকে ক্ষমা করেন। (সুনানে তিরমিজি- হা. নং ৭৩৯)

শবে বরাতে করণীয় কাজ 

এ রাতে বিশেষ কোন ইবাদত নেই। তবে বেশী বেশী নফল নামাজ পড়া; তিলাওয়াত, জিকির আজকার করা; দোয়া,কান্না-কাটি করে ক্ষমা চাওয়া; পরের দিন অর্থাৎ ১৫ শাবান রোজা রাখা।

শবে বরাতে বর্জনীয় কাজ 

শবে বরাত বিদআত নয়, তবে তাতে এমন কিছু কাজ পরিলক্ষিত হয়, যা সম্পূর্ণ বিদআত ও ভিত্তিহীন। তাই প্রত্যেককে এগুলো থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত থাকা আবশ্যক। শিন্নি, হালুয়া রুটি বা মিষ্টি বিতরণ করা। মসজিদ, ঘর-বাড়ি, অফিস আদালতে আলোকসজ্জা করা। পটকাবাজী, আতশবাজী করা। কবর বা মাজারে ফুল দেওয়া, আলোকসজ্জা করা। দল বেঁধে কবরস্থানে যাওয়া। (জীবনে একবার শবে বরাতে কবরস্থানে গেলেই এ মুস্তাহাব আদায় হয়ে যাবে)

বিদআতের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ 

কেননা হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে, আল্লাহ বিদআতির নামাজ, রোজা, দান-সদকা, হজ উমরা, জিহাদ, ফরজ নফল কোন ইবাদতই কবুল করেন না। বিদআতিরা ইসলাম থেকে এমনভাবে বেরিয়ে যায়, যেমন আটার খামিরা থেকে চুল বেরিয়ে যায়। (ইবনে মাজাহ-৪৯)

কেকে/এমএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  শবে বরাত   গুনাহ মাফ   সুবর্ণ সুযোগ  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

ধর্ম- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close