বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম: ● তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী      ● চার জেলায় নতুন ডিসি      ● এক দিন বেড়ে দুর্গাপূজায় টানা পাঁচ দিনের ছুটি, প্রধানমন্ত্রী বাড়ালেন অনুদানও      ● দেশে হামে মৃত্যু ছাড়ালো ১১০০      ● ডেঙ্গুতে আরও ছয়জনের মৃত্যু, সর্বোচ্চ আক্রান্ত ঢাকা বিভাগে      ● হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় পাঁচ শিশুর মৃত্যু      ● একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের ১৩ প্রকল্প অনুমোদন      
ধর্ম
জুমার দিনের করণীয় কী? কোরআন-হাদিসে যা বলা হয়েছে
ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৪ পিএম

ইসলামে জুমার দিনকে সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ ও বরকতময় দিন হিসেবে গণ্য করা হয়। প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ ও জ্ঞানসম্পন্ন প্রত্যেক মুসলিম পুরুষের জন্য জামাতের সঙ্গে জুমার নামাজ আদায় করা ফরজ। এদিন নামাজের প্রস্তুতি, মসজিদে আগে পৌঁছানো এবং খুতবা মনোযোগ দিয়ে শোনা সম্পর্কে কোরআন ও হাদিসে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, “হে ঈমানদারগণ! যখন জুমার দিন নামাজের জন্য আহ্বান করা হবে, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের দিকে দ্রুত ধাবিত হও এবং ক্রয়-বিক্রয় ত্যাগ কর। এটিই তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা জানতে।” (সুরা আল-জুমু’আ: ৯)

হাদিসে জুমার দিনের বেশ কিছু সুন্নত আমলের কথা উল্লেখ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে গোসল করা, মিসওয়াক করা, পরিষ্কার ও সুন্দর পোশাক পরা, সুগন্ধি ব্যবহার করা এবং যথাসম্ভব আগে মসজিদে উপস্থিত হওয়া। মসজিদে প্রবেশের পর দুই রাকাত তাহিয়্যাতুল মসজিদ আদায়, সামনের কাতারে বসার চেষ্টা এবং ইমাম খুতবা শুরু করলে সম্পূর্ণ নীরব থেকে মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনা সুন্নত।

আলেমরা বলেন, খুতবা চলাকালে কথা বলা, মোবাইল ফোন ব্যবহার করা কিংবা অন্যকে বিরক্ত করা থেকে বিরত থাকা উচিত। কেউ খুতবার সময় মসজিদে প্রবেশ করলে সংক্ষেপে দুই রাকাত তাহিয়্যাতুল মসজিদ আদায় করে খুতবা শুনতে বসে পড়বে।

জুমার নামাজ শেষে করণীয় সম্পর্কেও কোরআনে স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘অতঃপর নামাজ শেষ হলে তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড় এবং আল্লাহর অনুগ্রহ (জীবিকা) অনুসন্ধান কর। আর আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ কর, যাতে তোমরা সফল হও।’ (সুরা আল-জুমু’আ: ১০)

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জুমার নামাজ অবহেলার বিষয়ে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন। হাদিসে এসেছে, বিনা কারণে ধারাবাহিকভাবে তিনটি জুমা ত্যাগকারীর অন্তরে আল্লাহ মোহর মেরে দেন এবং সে গাফেলদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়।

ইসলামি শিক্ষায় জুমার দিনকে সাপ্তাহিক ঈদের দিন হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। তাই এ দিনের সুন্নত আমলগুলো যথাযথভাবে পালন, সময়মতো মসজিদে উপস্থিত হওয়া এবং একাগ্রতার সঙ্গে জুমার নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব।

কেকে/ এমএস


আরও সংবাদ   বিষয়:  জুমার দিন   করণীয়   কোরআন-হাদিস  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

ধর্ম- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close