ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রবাসী ভোটারদের পোস্টাল ব্যালট দেশে পৌঁছানো শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যেই প্রায় সোয়া ৪ লাখ ব্যালট পৌঁছেছে, যা প্রবাসী ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণকে নির্দেশ করছে।
নির্বাচন কমিশন জানাচ্ছে, যারা ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন বিকাল চারটার মধ্যে ব্যালট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পৌঁছে দেবে, তাদের ভোট গণনায় অন্তর্ভুক্ত হবে।
ইসির ওসিভি-এসডিআই প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান জানান, শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সোয়া ১০টা পর্যন্ত ৪ লাখ ২২ হাজার ৯৬০টি পোস্টাল ব্যালট ফিরেছে।
পোস্টাল ব্যালটের অ্যাপের তথ্যানুসারে,
ইতোমধ্যে চার লাখ ৯৪ হাজার ১৮৫ জন প্রবাসী ভোট দিয়েছেন। তার মধ্যে চার লাখ ৬৮ হাজার ৯১ জন ভোট দিয়ে সংশ্লিষ্ট দেশের পোস্ট অফিস বা ডাক বাক্সে জমা দিয়েছেন।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২ প্রবাসীকে পোস্টাল ব্যালট পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। শনিবার সকাল পর্যন্ত ব্যালট হাতে পেয়েছেন পাঁচ লাখ ২৭ হাজার ৩৩ জন প্রবাসী।
তাদের ‘যত দ্রুত সম্ভব’ ভোট দিয়ে কাছের পোস্ট অফিসে জমা দিতে বলেছে কমিশন। দেশে ভোটগ্রহণের দিন বিকাল সাড়ে ৪টার মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে ব্যালট পোঁছালেই কেবল সেটি গণনায় আসবে।
দেশে ও দেশের বাইরে থেকে ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ভোটার এবার পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন, যাদের অর্ধেকের বেশি প্রবাসী।
‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটারের পাশাপাশি দেশের ভেতরে ৩ ধরনের ব্যক্তি নিবন্ধন করেছেন। নির্বাচনি দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তি, নিজ এলাকার বাইরে কর্মরত সরকারি চাকরিজীবী ও আইনি হেফাজতে (কারাগারে) থাকা ভোটারদের পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
এ জন্য শনিবার সকাল পর্যন্ত দেশের ভেতরে ৬ লাখ ৯৪ হাজার ১৪৬ জন ভোটারের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠিয়েছে কমিশন। এর মধ্যে তিন লাখ ৮১ হাজার ৭ জন ভোটার ব্যালট সংগ্রহ করেছেন। যাদের তিন লাখ ২১ হাজার ৬৯৫ জন ভোটদান শেষ করেছেন এবং তাদের মধ্যে দুই লাখ ৭৬ হাজার ২৭২ জন ভোটদান শেষে ডাক অফিস বা বাক্সে তাদের ব্যালট পাঠিয়েছেন।
কেকে/এমএ