রোববার, ২ আগস্ট ২০২৬,
১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

রোববার, ২ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম: ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ৭০ টাকা      ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চার শিশুর মৃত্যু      দুবাইয়ের জেল থেকে মুক্তি পেলেন বেনজীর      ঢাকার চারপাশের নৌ-পথ সচলের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর      ঢাকা ওয়াসার নতুন চেয়ারম্যান পানি বিশেষজ্ঞ ড. সাব্বির মোস্তফা খান      ভোজ্যতেলের দাম বাড়াতে সরকারকে চাপ ব্যবসায়ীদের      আগস্টেই যোগদানের দাবিতে শাহবাগে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের কর্মসূচি      
ধর্ম
রসুলুল্লাহ (সা.) রাতকে বানিয়েছিলেন আল্লাহর সঙ্গে একান্ত সংলাপের সময়
ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:৩০ এএম
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দিনরাত মহান আল্লাহর ইবাদত বন্দেগিতেই কাটতো। আর তাঁর রাতের আমল ছিল ইবাদত, কান্না, দোয়া ও গভীর খুশু-খুজুর এক অনন্য দৃষ্টান্ত। তিনি রাতকে বানিয়েছিলেন আল্লাহর সঙ্গে একান্ত সংলাপের সময়।
 
রাতে রসুলুল্লাহ (সা.) বিশেষ কিছু আমল করতেন। ঘুমানোর আগে ১. অজু করা। ২. আয়াতুল কুরসি ও সুরা বাকারার শেষ ২ আয়াত পড়া। ৩. সুরা মুলক পড়া এবং ইসতেগফার করা। ৪. তিন কুল তথা সুরা নাস, ফালাক ও ইখলাস পড়া। ৫. সুরা কাফিরুন ও সুরা ফাতেহা পড়া। ৬. তিন তাসবিহ তথা সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ ও আল্লাহু আকবার পড়া। ৭. ঘুমানোর আগে দোয়া পড়া ও ডান কাতে শোয়া রসুলুল্লাহ (সা.)-এর নিত্যদিনের অভ্যাস ছিল।

আর রসুলুল্লাহ (সা.) শেষ রাতের আমলকে খুব বেশি গুরুত্ব দিতেন। শেষ রাতে তিনি অনেক বেশি আমল করতেন। তাহাজ্জুদের নামাজ, জিকির ও দোয়া করে কাটাতেন। 
 
পবিত্র কোরআন ও হাদিসে শেষ রাতে বিভিন্ন আমলের ওপর উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। মহান আল্লাহ বলেন, নিশ্চয়ই রাতে জাগরণ প্রবৃত্তি দমনে অধিক সহায়ক এবং স্পষ্ট উচ্চারণে অনুকূল। (সুরা মুজ্জাম্মিল: ৬)

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আমাদের রব প্রতি রাতে দুনিয়ার আসমানে অবতরণ করেন, যখন রাতের এক-তৃতীয়াংশ বাকি থাকে। তিনি বলেন, কে আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দেব। কে আমার কাছে চাইবে, আমি তাকে দেব; কে আমার কাছে ক্ষমা চাইবে, আমি তাকে ক্ষমা করব। (বুখারি: ১১৪৫)
 
এ সম্পর্কে হাদিসের কিতাবে এসেছে, হজরত সাদ বিন হিশাম (রহ.) বলেন, আমি বললাম হে উম্মুল মুমিনিন, আপনি আমাকে রসুল (সা.)-এর আখলাক চরিত্র বিষয়ে কিছু বলুন। আম্মাজান আয়েশা (রা.) বলেন, তুমি কি কোরআন পড়ো না? রসুল (সা.)-এর আখলাক চরিত্র কোরআনে যা আছে তাই ছিল। তারপর সাদ বলেন, আপনি আমাকে রসুল (সা.)-এর রাতের নামাজের ব্যাপারে বলুন। তখন আম্মাজান আয়েশা (রা.) বলেন তুমি কি ‘ইয়া আইয়্যুহাল মুজ্জাম্মিল’ পড়ো না? 

হজরত সাদ বলেন, হ্যাঁ আমি পড়ি তো। আম্মাজান আয়েশা (রা.) বলেন যখন এ সুরার প্রথমাংশ নাজিল হয় (যাতে তাহাজ্জুদ ফরজ হয়) তখন সাহাবায়ে-কেরাম এতো দীর্ঘ তাহাজ্জুদ পড়তেন যে, তাদের পা ফুলে যেত। আর এ সুরার শেষাংশ বারো মাস পর্যন্ত আসমানে আটকে থাকে। ১২ মাস পর যখন এর শেষাংশ নাজিল হয়, তখন যে তাহাজ্জুদ ফরজ ছিল তা নফল হয়ে যায়। (আবু দাউদ: ১/১৮৯-১৯৯)।
 
কেকে/এসএএস


আরও সংবাদ   বিষয়:  রসুলুল্লাহ (সা.)    আমল  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

ধর্ম- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close