মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬,
৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম: সালমান শাহর লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল      সুশাসন ও সংস্কার ছাড়া বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন      দেশজুড়ে কঠোর সতর্কতা      চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী      চীন পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী      ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, তেল রপ্তানিতে সুখবর      এবার পাঁচ জেলায় বিজিবি মোতায়েন      
ধর্ম
সৌদির ক্যালেন্ডার অনুযায়ী প্রথম রোজার তারিখ প্রকাশ
খোলা কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:১৩ এএম
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

সৌদি আরবের হিজরি বর্ষপঞ্জি উম্ম আল-কুরা অনুযায়ী আগামী বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে পবিত্র রমজান শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে রমজানের চাঁদ দেখা যাবে কি না, তা নিয়ে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মধ্যে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

যে কারণে বরাবরের মতো এবারও সৌদি আরবের চাঁদ দেখার ঘোষণা ও বৈজ্ঞানিক হিসাবের মধ্যে অসামঞ্জস্যের বিতর্কটি সামনে এসেছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের একাধিক জ্যোতির্বিদ্যা সংস্থা জানিয়েছে, আজ মধ্যপ্রাচ্যের কোথাও খালি চোখে বা টেলিস্কোপে চাঁদ দেখা যাওয়ার কোনো বৈজ্ঞানিক সম্ভাবনা নেই। তা সত্ত্বেও সৌদি আরব তাদের পূর্বনির্ধারিত ক্যালেন্ডার অনুযায়ী বুধবার থেকে রোজা শুরু করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গত কয়েক বছর ধরেই সৌদি সরকারের বিরুদ্ধে চাঁদ দেখা নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়ার অভিযোগ তুলছেন বিশেষজ্ঞরা। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আইর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি কর্তৃপক্ষ অনেক সময় চাঁদ দেখা না গেলেও তাদের দাপ্তরিক ক্যালেন্ডারে রমজান ও ঈদের ঘোষণা দিয়ে দেয়।

২০২৩ সালের ঈদুল ফিতরের সময়ও এ নিয়ে চরম বিতর্ক হয়েছিল। তৎকালীন সময়ে কুয়েতের প্রখ্যাত জ্যোতির্বিদ আব্দেল আল-সাদুন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেছিলেন, সেই রাতে আরব উপদ্বীপে চাঁদ দেখা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। কেউ চাঁদ দেখে থাকলে তিনি তার প্রমাণ বা ছবি দাবি করেছিলেন। সৌদি কর্তৃপক্ষ কোনো প্রমাণ বা ছবি দেখাতে না পারলেও পরদিন ঈদ ঘোষণা করে, যা নিয়ে বিশ্বজুড়ে মুসলিম স্কলার ও বিজ্ঞানীদের মধ্যে সমালোচনা হয়।

ইসলামিক বর্ষপঞ্জিকা বিশেষজ্ঞ ও নিউ ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ইমাদ আহমেদ জানান, সৌদি আরব প্রায়ই এমন দিনে চাঁদ দেখার দাবি করে যা বৈজ্ঞানিকভাবে অসম্ভব।

ইমাদ আহমেদের মতে, প্রতি বছর মাত্র দু-তিনজন ব্যক্তির দাবির ওপর ভিত্তি করে সৌদি কর্তৃপক্ষ এই ঘোষণা দেয়, যেখানে আধুনিক প্রযুক্তিতেও চাঁদের অস্তিত্ব পাওয়া যায় না।

সারা বিশ্বের মুসলিমরা চন্দ্রবর্ষ অনুসরণ করেন। চন্দ্রবর্ষে ১২টি মাস থাকে এবং একেকটি মাস ২৯ অথবা ৩০ দিনের হয়ে থাকে। রমজান শেষ হওয়ার বিষয়টিও নির্ভর করে চাঁদ দেখার ওপর।

বিশ্বের কিছু দেশ নিজেরা চাঁদ দেখে রমজান ও ঈদ শুরুর বিষয়টি নির্ধারণ করে। অপরদিকে কিছু দেশ সৌদির ওপর নির্ভর করে থাকে। যেমন যুক্তরাজ্যে কোনো চাঁদ দেখা কমিটি নেই। দেশটির মুসল্লিরা সৌদির ঘোষণা অনুকরণ করে। তবে স্থানীয় স্কলাররা এখন সৌদির ওপর নির্ভর না করে বৈজ্ঞানিক তথ্য ও পার্শ্ববর্তী মুসলিম দেশগুলোর চাঁদ দেখার সংবাদ অনুসরণের পরামর্শ দিচ্ছেন।

সৌদি আরব আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে চাঁদ দেখার বিষয়ে তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে। তবে জ্যোতির্বিদদের পূর্বাভাস সত্যি হলে, বুধবারের আগে চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ।

কেকে/এলএ



মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

ধর্ম- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close