কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলায় নিখোঁজের সাত দিন পর ডোবা থেকে হাছমা বেগম (৩৯) নামের এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার দামপাড়া ইউনিয়নর দত্তপাড়া গ্রামের একটি ডোবা থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত হাছমা বেগম উপজেলার দামপাড়া ইউনিয়নের দত্তপাড়া গ্রামের মৃত আ. মজিদের মেয়ে। তিনি বাক প্রতিবন্ধী ছিলেন। মাঝেমধ্যেই বাড়ি ছেড়ে চলে যেতেন এবং কিছুদিন বাদে বাড়িতে ফিরে আসেন বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বাড়ি থেকে বের হয়ে আর বাড়ি ফেরেননি বাক প্রতিবন্ধী হাছমা বেগম। এরপর সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করা হলেও তার খোঁজ মিলেনি। পরে হাছমা বেগম প্রতিবন্ধী নারীর পরিবারের পক্ষ থেকে ওই দিনেই নিকলী থানায় একটি ডায়েরি করা হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে উপজেলার দামপাড়া ইউনিয়নের দত্তপাড়া গ্রামের একটি ডোবায় ভাসমান অবস্থায় এক নারীর মরদেহ দেখতে পান স্থানীয় লোকজন। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় পরিচয় শনাক্ত করে জানতে পারে ওই নারীর নাম হাছমা বেগম। তিনি উপজেলার দামপাড়া ইউনিয়নের দত্তপাড়া গ্রামের মৃত আ. মজিদের মেয়ে এবং বাক প্রতিবন্ধী।
স্থানীয় এলাকার বাসিন্দা ঈমন হোসেন বলেন, ‘হাছমা বেগম একজন বাক প্রতিবন্ধী নারী। তার তো কোনো শত্রু থাকার কথা না। পুলিশ প্রশাসনের কাছে আমাদের দাবি, তারা যেন বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত করে। তার সঙ্গে যদি খারাপ কিছু ঘটে থাকে তাহলে যেন আমরা বিচার পাই।’
নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বিষয়টি খোলা কাগজকে নিশ্চিত করে জানান, ‘নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আমাদের তদন্ত কাজ অব্যাহত রয়েছে।’
কেকে/এসএ