বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় মৎস্য ঘেরের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ৬ জন আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২৪ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) সকালে ভোজপাতিয়া ইউনিয়নের চন্দ্রাখালী গ্রামে মৎস্য ঘেরের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে বিএনপির স্থানীয় দুই গ্রুপ-প্রিন্স গ্রুপ ও আলামিন গ্রুপের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এ সময় আলামিন গ্রুপের লোকজন লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রিন্স গ্রুপের ওপর হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে।
সংঘর্ষে প্রতিপক্ষকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করার অভিযোগে থানায় মামলা করতে গিয়ে অভিযুক্ত পক্ষের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন উপজেলার ভোজপাতিয়া ইউনিয়নের চন্দ্রাখালী গ্রামের ওয়াসমান আলী ফকিরের ছেলে হায়দার আলী ফকির এবং মিজান শেখের ছেলে বাপ্পী শেখ।
এ ঘটনায় আহত হন মৃত. আবু কাসেম শেখের ছেলে রুহুল আমিন শেখ (৬০), মৃত. ছিদ্দিক শেখের ছেলে ছালাম শেখ (৫২), মৃত. বারিক গাজীর ছেলে রাজু গাজী (৪০), মৃত. খাদেম গাজীর ছেলে এনামুল গাজী (৪৫), মৃত. রাজ্জাক সরদারের ছেলে বিল্লাল সরদার (৫৫) এবং মৃত. তৈয়ব আলী সরদারের ছেলে আর. ওহাব আলী সরদার (৫২)।
আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ২৪ ফেব্রুয়ারি বিকালে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
রামপাল থানা পুলিশ জানায়, ‘উক্ত হামলার ঘটনায় দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতেই হায়দার আলী ফকির ও বাপ্পী শেখকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।’
রামপাল থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানায়, ‘দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে এখন পর্যন্ত মোট ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’ পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
কেকে/বি