শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬,
৭ কার্তিক ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম: ● ৪৩০ রানের পাহাড় গিলে ইংল্যান্ডকে কাঁদাল লঙ্কানরা      ● দাম্মাম ও রিয়াদগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট স্থগিত       ● পিএইচপির ত্রুটির পর হ্যাকিংয়ের চেষ্টা কয়েক লাখ ছাড়াল      ● প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের আগে কূটনীতিতে নতুন মোড়      ● ডেঙ্গুতে আরও পাঁচজনের মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১৫১২      ● সাজেকে অবরোধকারীদের হামলায় নিরাপত্তা বাহিনীর ৯ সদস্য আহত      ● সাজেকে ইউপিডিএফ ৩০-৪০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে : আইএসপিআর      
আন্তর্জাতিক
সুরক্ষিত ভবনে যেভাবে হত্যা করা হলো খামেনিকে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: রোববার, ১ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩১ এএম
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন বলে দেশটির সংবাদমাধ্যম নিশ্চিত করেছে। 

রোববার (১ মার্চ) ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি এবং ফার্স নিউজ এজেন্সি এ তথ্য প্রকাশ করে।

এর আগে, খামেনির মৃত্যুর দাবি করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরবর্তী সময় দুটি মার্কিন সূত্র ও সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, শনিবার ভোরে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার সময় খামেনি তার শীর্ষ উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠকে ছিলেন।

ইসরায়েল জানিয়েছে, হামলায় খামেনি নিহত হন। তার সঙ্গে নিহত হন শীর্ষ সহযোগীদের মধ্যে প্রভাবশালী সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ সচিব আলি শামখানি এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুর।

রয়টার্সকে দুটি ইরানি সূত্র জানায়, হামলা শুরুর কিছুক্ষণ আগে শনিবার একটি নিরাপদ স্থানে শামখানি ও সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব আলি লারিজানির সঙ্গে বৈঠক করেন খামেনি।

একজন জ্যেষ্ঠ ইসরায়েলি কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, খামেনির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে এক পোস্টে বলেন, ‘গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে খামেনির অবস্থান শনাক্ত করা হয় এবং তিনি নিহত হন। তিনি আমাদের গোয়েন্দা ও অত্যাধুনিক ট্র্যাকিং সিস্টেম এড়াতে পারেননি। ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে আমরা এমনভাবে আঘাত হেনেছি যে তিনি কিংবা তার সঙ্গে নিহত অন্য নেতাদের কিছুই করার ছিল না।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুটি মার্কিন সূত্র ও ওই মার্কিন কর্মকর্তা জানান, খামেনির শীর্ষ উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরই হামলার সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়।

মার্কিন কর্মকর্তার ভাষ্য, আকস্মিকতার সুবিধা বজায় রাখতে প্রথম আঘাত খামেনির ওপরই হানতে হতো। আশঙ্কা ছিল, সুযোগ পেলে তিনি আত্মগোপনে চলে যেতে পারেন।

এক মার্কিন সূত্র জানায়, শনিবার সন্ধ্যায় তেহরানে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। তবে ইসরায়েলি গোয়েন্দারা শনিবার সকালেই বৈঠকের তথ্য শনাক্ত করে, ফলে হামলার সময় এগিয়ে আনা হয়।

বৈঠকের সুনির্দিষ্ট স্থান তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তবে অভিযানের শুরুতেই তেহরানে খামেনির উচ্চ-নিরাপত্তা কমপ্লেক্সে হামলা চালানো হয় এবং রয়টার্স পর্যালোচিত স্যাটেলাইট চিত্রে সেটি ধ্বংস হয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।

কেকে/ এমএস


আরও সংবাদ   বিষয়:  ইরান   সুরক্ষিত ভবন   খামেনি  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close