ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতেও কর্মী ও যাত্রীদের নিরাপত্তা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয় বলে জানিয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) গণমাধ্যমকে পাঠানো এক বার্তায় এ কথা জানায় কোম্পানিটি।
বার্তায় বলায়, ‘মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধাবস্থাজনিত আকাশপথের অস্থিতিশীলতা ও সীমাবদ্ধতার কারণে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিএস৩৪৪(বোয়িং ৭৩৭) সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে প্রায় ৪৮ ঘণ্টারও বেশি সময় অবস্থান করতে বাধ্য হয়। এ সময় ৩৯ জন পাইলট ও কেবিন ক্রু সেখানে আটকা পড়েন। দুবাই বিমানবন্দরেও কার্যক্রম সীমিত ছিল এবং পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত সংবেদনশীল।’
ছবি : খোলা কাগজ
‘ইউএস-বাংলা দুবাই স্টেশন ও ঢাকা হেড অফিস কর্তৃপক্ষ দুবাই বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করে একটি নিরাপদ করিডোর নিশ্চিত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালায়। অবশেষে স্বল্প সময়ের একটি বিশেষ অনুমতি পাওয়া গেলে সম্পূর্ণ প্রস্তুত অবস্থায় যাত্রীবিহীন ফ্লাইটে ৩৯ জন ক্রুকে নিয়ে বিএস৩৪৪ডি বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করে। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে দুবাই থেকে ছেড়ে আসা এটি ছিল একমাত্র বাংলাদেশি ফ্লাইট।’
বার্তায় আরও বলা হয়, ‘ফ্লাইটটির নেতৃত্ব দেন ক্যাপ্টেন সামসুজ্জাহান ও ফার্স্ট অফিসার শাহাদাত। চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির মধ্যেও তারা সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ভোর ২টা ৩৬ মিনিটে নিরাপদে ঢাকায় অবতরণ করেন।’
‘ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স তার যাত্রী, পাইলট ও ক্রুদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবসময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ প্রমাণ করে যে, অনিশ্চিত সময়েও দায়িত্ববোধ, সমন্বয় ও সাহসই আমাদের এগিয়ে নিয়ে যায়।’