ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হয়তো ইতোমধ্যেই নির্ধারণ করা হয়েছে, তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে তা এখনো প্রকাশ্যে ঘোষণা করা হয়নি- এমন দাবি করেছেন তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জোহরেহ খারাজমি।
আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া বয়কট করেছেন বিশেষজ্ঞ পরিষদের আট সদস্য—এমন খবর আসলে ‘গুজব’।”
জোহরেহ খারাজমি আরও বলেন, ‘পরবর্তী নেতার জীবন সুরক্ষিত রাখতে বিষয়টি গোপন রাখা খুবই যৌক্তিক। এটি একটি স্বাভাবিক নিরাপত্তা প্রোটোকল।’
খারাজমি আরও দাবি করেন, সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে—ইরানের কুর্দি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো পশ্চিমাঞ্চলে ইরানি নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করেছে।
তবে তিনি এসব তথ্যকে ‘রাজনৈতিক প্রচারণা’ বলে উল্লেখ করেন।
তার মতে, কুর্দিরা ইরানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে—এমন ধারণা সঠিক নয়; বরং তারা দেশের প্রতি সমর্থন দেখাচ্ছে।
এর আগে, ইরানের বাহিনী প্রতিবেশী ইরাকের আধা-স্বায়ত্তশাসিত কুর্দি অঞ্চলে কুর্দি গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে অভিযানও চালিয়েছে।
খারাজমি বলেন, ‘আমার মনে হয় এগুলো রাজনৈতিক প্রচারণা। ইরানিরা তাদের দমন করবে এবং তারা কার্যকর কিছু করতে পারবে না।’
তিনি আরও দাবি করেন, তেহরানে বর্তমানে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতি জনগণের মধ্যে উচ্চ সামাজিক সংহতি ও সমর্থন দেখা যাচ্ছে।
এদিকে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করে থাকে ৮৮ সদস্যের বিশেষজ্ঞ পরিষদ, যারা দেশের শীর্ষ ধর্মীয় নেতাকে নির্বাচিত করার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করে।
কেকে/ এমএস