মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬,
৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম: সুশাসন ও সংস্কার ছাড়া বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন      দেশজুড়ে কঠোর সতর্কতা      চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী      চীন পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী      ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, তেল রপ্তানিতে সুখবর      এবার পাঁচ জেলায় বিজিবি মোতায়েন      ভূমিকম্পে কাঁপলো রাজধানী      
জাতীয়
তেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করলেন প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: রোববার, ৮ মার্চ, ২০২৬, ৪:৩৯ পিএম
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বরং যে কোনো মূল্যে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বাজারে আতঙ্ক ছড়াতে না দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে এক বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন। বৈঠকে জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য রহমান অমিত ও জ্বালানি সচিবসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তেলের দাম বাড়ানোর একটি প্রস্তাব তুলে ধরা হলে তা নাকচ করে দেন প্রধানমন্ত্রী। কর্মকর্তারা বৈঠকে জানান, বর্তমানে প্রতি লিটার ডিজেল বিক্রি করে সরকারের ১৮ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত লোকসান হচ্ছে। তবে প্রধানমন্ত্রী দাম বাড়ানোর পরিবর্তে সরবরাহ ব্যবস্থাকে সচল রাখা এবং বাজারে স্বাভাবিকতা ফেরানোর ওপর গুরুত্ব দেন।

বৈঠকে জ্বালানি বিভাগ জানায়, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আগামী ৯ মার্চ দুটি জাহাজে করে ডিজেল দেশে পৌঁছাবে এবং পরে আরও দুটি জাহাজ আসার কথা রয়েছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি আংশিকভাবে চালু হলে আন্তর্জাতিক বাজারেও পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দেন কোনোভাবেই যাতে জ্বালানি তেলের মজুতদারি না হয়, সে জন্য কঠোর নজরদারি চালাতে হবে। প্রয়োজনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেন তিনি।

বৈঠকের পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, দেশে ডিজেল, অকটেন ও পেট্রোলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। জনগণের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। তিনি সবাইকে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ না করার আহ্বান জানান।

মন্ত্রী আরও জানান, সরকার নির্ধারিত দামের বেশি নিয়ে কেউ তেল বিক্রি করলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ জন্য রোববার থেকে সারা দেশের ফিলিং স্টেশনগুলোতে অভিযান চালানো হবে, যাতে তারা নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী তেল সরবরাহ করছে কি না তা যাচাই করা যায়।

এদিকে জ্বালানি তেল রেশনিং কার্যক্রম শুরুর প্রথম দিন শনিবার দেশের বিভিন্ন স্থানে ফিলিং স্টেশনগুলোতে তীব্র ভিড়, হুড়াহুড়ি এবং বাগবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় রাজধানীর অনেক ফিলিং স্টেশন দুপুরের পর বন্ধ হয়ে যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় প্রায় ১২৫টি ফিলিং স্টেশন রয়েছে। এর মধ্যে তেল সংকটের কারণে শনিবার দুপুরের মধ্যেই শতাধিক ফিলিং স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

কেকে/এজে



মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

জাতীয়- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close