বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে এক সপ্তাহ সময় বেঁধে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
সোমবার (৯ মার্চ) কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিশেষ মতবিনিময় সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষা এবং পর্যটনকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে কোনো আপস করা হবে না।”
এসময় সৈকতে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলা বন্ধ করতে এবং নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে বিশেষ তদারকির নির্দেশনা দেন তিনি।
সৈকতের বালিয়াড়িতে গড়ে ওঠা সকল অবৈধ স্থাপনা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, “আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সরিয়ে ফেলতে হবে। সৈকতের পরিবেশ নষ্ট করে এমন কোনো দখলদারিত্ব বরদাশত করা হবে না।”
পর্যটকদের যেকোনো ধরণের হয়রানি ও চাঁদাবাজি বন্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে ট্যুরিস্ট পুলিশসহ সকল সংস্থাকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “সবাইকে শৃঙ্খলার মধ্যে বাস করতে হবে। কোনো ধরনের অবিচার বা বিশৃঙ্খলার খবর আমরা শুনতে চাই না। কক্সবাজারকে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য নিরাপদ ও আকর্ষণীয় করে তুলতে সৈকতের অবৈধ স্থাপনা এবং ময়লা-আবর্জনা অবিলম্বে অপসারণ করতে হবে।”
সভায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান, পুলিশ সুপার এন এম সাজেদুর রহমানসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
কেকে/এজে