স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি চূড়ান্তভাবে বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৭ সাল থেকে স্কুলে ভর্তির বিদ্যমান লটারি প্রথা থাকবে না।
সোমবার (১৬ মার্চ) বিকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, “সমন্বিত ভর্তি পদ্ধতি আমরা ২০০১ সালে চালু করেছিলাম। অন্য দেশের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যাবে, তাদের শিক্ষাব্যবস্থায় বরাদ্দ ও সুযোগ-সুবিধা ভিন্ন। আমরা প্রাথমিক পর্যায়ে বৃত্তি পরীক্ষা পুনরায় চালুর ব্যবস্থা করেছি এবং শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে আরও কাজ করছি।”
ভর্তি পরীক্ষা চালু হলে কোচিং বাণিজ্য বাড়বে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “সেটার লাগাম আমরা টেনে ধরব। খুব সহজভাবে পরীক্ষা নেওয়া হবে। এমন কোনো প্রতিযোগিতা তৈরি করা হবে না, যা প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য উপযোগী নয়। প্রাথমিক ধাপে কোনো পরীক্ষা নেওয়া হবে না। পরে পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
উল্লেখ্য, প্রথমে শুধু প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে লটারির পদ্ধতি চালু করা হয়। ২০১১ শিক্ষাবর্ষ থেকে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে (যেসব বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণি রয়েছে) ভর্তি পরীক্ষার পরিবর্তে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি বাধ্যতামূলক করা হয়। পরের বছর বেসরকারি বিদ্যালয়েও একই পদ্ধতি চালু হয়। তবে দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি তখনও পরীক্ষার মাধ্যমেই হতো।
পরবর্তীতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ২০২১ শিক্ষাবর্ষ থেকে সব শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি শুরু হয়। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত একই পদ্ধতিতে ভর্তি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
কেকে/এজে