মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬,
৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধান করে সংবিধান সংশোধন কমিটি, বিরোধীদের ওয়াকআউট      তিস্তার পানি বিপদসীমার ওপরে, বন্যার শঙ্কা      ৯ জেলায় বন্যা পরিস্থিতি অবনতির শঙ্কা      সিলেট-সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির শঙ্কা      বন্যার কবলে সাত জেলা : নিহত ৫৪, ছয় লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত      আদ-দ্বীন হাসপাতালের বিষয়ে পরিদর্শনের পর সিদ্ধান্ত : স্বাস্থ্যমন্ত্রী      ৪১৬ বছরপূর্তিতে বর্ণিল ‘ঢাকা উৎসব’, উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী      
জাতীয়
জ্বালানি সংকটে পথে পথে ভুগবে রাজধানীমুখী মানুষ!
খোলা কাগজ প্রতিবেদক
প্রকাশ: রোববার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৬:০৬ পিএম
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

পরিবারের সঙ্গে ঈদ আনন্দ কাটিয়ে ইতোমধ্যে রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছে কর্মমুখী মানুষ। ঠিক এ সময়ে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে জ্বালানি সংকট। এ সংকট রাজধানীমুখী মানুষকে পথে পথে চরম ভোগাবে—এমন শঙ্কা করছে বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষ করে দিনাজপুর, রংপুর, বগুড়া, কুড়িগ্রাম, নীলফমারীসহ উত্তরের বিভিন্ন অঞ্চলে পেট্রোল ও অকটেনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে—যার ফলে ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইন এবং যানবাহন চলাচলে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। 

এছাড়া কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর, নীলফামারীর আমামী ২-৩ দিন পাম্পগুলো বন্ধ থাকবে বলেও জানা গেছে। জ্বালানি তেলের এই সংকট ও অব্যবস্থাপনার কারণে কর্মমুখী মানুষ, মোটরসাইকেল চালক এবং পরিবহন শ্রমিকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

রোববার (২২ মার্চ) জেলা পর্যায়ের তথ্য সংগ্রহকালে এমন চিত্র উঠে আসে।

এসব পাম্পের কর্তৃপক্ষের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ সংকট আগামী ২-৩ দিন পর্যন্ত থাকতে পারে। কোনো কোনো পাম্পে এ সংকট ৪-৫ দিন পর্যন্ত থাকতে পারে বলেও জানা যায়।

সংকটের প্রধান দিকগুলো—

ফিলিং স্টেশনে হাহাকার : দিনাজপুরের খানসামা উপজেলাসহ বিভিন্ন এলাকায় ফিলিং স্টেশনে তেল মজুদ না থাকায় পাম্প বন্ধ বা দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে।

যানবাহন ও কর্মজীবী মানুষের ভোগান্তি : জ্বালানি সংকটে রাস্তায় যানবাহন কম নামায় কর্মজীবী মানুষের যাতায়াত বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

প্যানিক ও অব্যবস্থাপনা : জ্বালানি রেশনিং চালু করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে, যার ফলে পাম্পগুলোতে ভিড় বাড়ছে।

মোটরসাইকেল চালকরা পড়েছেন বিপাকে। তারা বলছে, জ্বালানি সংকটের কারণে ট্যাঙ্ক ফুল লোড করতে পারছি না। ফলে মোটরসাইকেল থেকেও কোনো কাজে লাগাতে পারছি না। বিশেষ করে, রাইড শেয়ার করা চালকরা বেশি বিপাকে পড়েছেন। যাত্রী চাহিদা থাকা সত্বেও তারা রাইড শেয়ার করতে পারছে না।

পরিবহন শ্রমিকরা এ সংকটের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী। এ খাতের কয়েকজন শ্রমিকের সঙ্গে কথা হয়েছে খোলা কাগজের এ প্রতিবেদকের। শ্রমিকরা বলেন, গাড়ি চালিয়েই সংসার চালাই। ঈদে বাড়তি আয়ের আশায় গাড়ি নিয়ে বের হই। তবে জ্বালানি সংকটে সেই আশা আর রইলো না।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, জেলা পর্যায়ের পাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত তেল মজুদ না থাকায় জ্বালানির এ সংকট তৈরি হয়েছে। যার ফলে রাস্তায় যানবাহন কম নামায় যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

জ্বালানি সংশ্লিষ্টদের মতে, ঈদের ছুটি শেষ হলে এ সংকট কেটে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কর্মীরা ছুটি কাটিয়ে কাজে ফিরলে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে যাবে। জ্বালানি রেশনিংয়ের কারণে মানুষের মাঝে যে আতঙ্ক রয়েছে, সেটিও দ্রুত কেটে যাবে।

কেকে/এজে


আরও সংবাদ   বিষয়:  জ্বালানি সংকট   ভুগবে রাজধানীমুখী মানুষ  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

জাতীয়- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close