কলম্বিয়াতে সামরিক পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত হয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৬ জনে। এখনো অন্তত ৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সোমবার (২৩ মার্চ) উড্ডয়নের সময় দুর্ঘটনায় পড়ে বিমানটি। এটি পুয়ের্তো লেগুইজামো এলাকা থেকে উড্ডয়ন করছিল, যা পেরু সীমান্তের কাছে অবস্থিত।
দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানের তথ্য অনুযায়ী, বিমানটিতে মোট ১২৮ আরোহী ছিলেন। এর মধ্যে ১১ জন বিমানবাহিনীর সদস্য, ১১৫ জন সেনা এবং ২ জন জাতীয় পুলিশ সদস্য।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ জানান, উড্ডয়নের সময় রানওয়ের শেষ প্রান্তে আঘাত লাগে এবং পরে একটি ডানায় গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে বিমানটি আগুন ধরে বিস্ফোরিত হয়।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও দুর্গম এলাকার কারণে উদ্ধারকাজে বিঘ্ন ঘটে।
বর্তমানে বহু আহতকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক নয় বলে জানা গেছে।
কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে সামরিক বাহিনীর আধুনিকায়নে বিলম্বের জন্য প্রশাসনিক জটিলতাকে দায়ী করেছেন। তিনি দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ১৯৫০-এর দশকে চালু হওয়া এই ধরনের সি-১৩০ বিমান এখনও বিভিন্ন দেশে সামরিক কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।
দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়াতে একটি সামরিক পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ৩৪ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।
কর্তৃপক্ষ জানায়, বিমানটি দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের আমাজন এলাকায় অবস্থিত পুয়ের্তো লেগুইজামো থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যেই দুর্ঘটনার শিকার হয়। বিমানটিতে মোট ১২৫ আরোহী ছিলেন। এর মধ্যে ১১ বিমানবাহিনীর সদস্য এবং ১১৪ সেনাসদস্য।
দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ জানান, দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত বহু আহতকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো এ ঘটনাকে ভয়াবহ দুর্ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, আহতদের চিকিৎসা চলছে এবং কিছু মানুষের অবস্থা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণে চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হয়েছে এবং দ্রুত জাতীয় সহায়তা চাওয়া হয়েছে। আহতদের সরিয়ে নিতে সামরিক বাহিনী একাধিক বিমান মোতায়েন করেছে।
এদিকে, দুর্ঘটনার কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে এটি কোনো হামলার ফল নয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
কেকে/এলএ