ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যার প্রধান দুই অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল এবং আলমগীর হোসেন।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) অধিকতর তদন্তের স্বার্থে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার (এনআইএ) আবেদনের প্রেক্ষিতে অভিযুক্তদের কলকাতা থেকে দিল্লিতে নেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্তদের গত ২২ মার্চ উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বিধাননগর মহকুমা আদালতে তোলা হলে ১২ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজত (জেল হাজত) নির্দেশ দেয় আদালত। সেক্ষেত্রে আগামী ২ এপ্রিল তাদের ফের আদালতে তোলা হত। তাদের বিরুদ্ধে ফরেনারস আইনে মামলা দায়ের করা ছিল।
তবে গত ২২ মার্চ ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে নতুন করে আদালতে আবেদন করা হয়। আনলফুল এক্টিভিটিস (প্রিভেনশন) আইন বা ইউএপিএ আইনের ১৬ এবং ১৮ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।
এনআইএ আবেদন জানিয়েছে যে, তারা যাতে কারাগারে গিয়ে অভিযুক্তদেরকে জেরা করতে পারে। আদালত তাতে সম্মতি জানায়। গতকাল আবারও ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)-এর তরফে আদালতে আবেদন জানানো হয়।
এতে তদন্তের স্বার্থে তারা ফয়সাল ও আলমগীরকে পশ্চিমবঙ্গের কারাগার থেকে দিল্লি তাদের সদর দপ্তরের নিয়ে যেতে চায়। আদালত সেই আবেদনে সম্মতি দিয়েছে। যার ফলে কার্যত মঙ্গলবার দুই অভিযুক্তকে কলকাতা থেকে দিল্লি উদ্দেশ্যে নিয়ে চলে যাওয়া হয়।
উল্লেখ্য, অভিযুক্ত দুজনকেই বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। ৩৭ বছর বয়সী ফয়সাল করিম মাসুদের বাড়ি বাংলাদেশের পটুয়াখালী এলাকায় এবং ৩৪ বছর বয়সী আলমগীর হোসেনের বাড়ি ঢাকায়।
ওই দুই অভিযুক্ত অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন এবং বনগাঁয় আত্মগোপন করেছিলেন। সুযোগ বুঝে ফের তারা বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টার অপেক্ষায় ছিল বলে এসটিএফ জানিয়েছে।
কেকে/এজে