পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সেরে-শার্লে সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎকালে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু খাতের বিভিন্ন ইস্যুতে দুই পক্ষের মধ্যে মতবিনিময় হয়।
সোমবার (৩০ মার্চ) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রীর দপ্তরে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত এই সাক্ষাৎ করেন।
এ সময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম ও সচিব মো. রায়হান কাওছার উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু বাংলাদেশে পরিবেশ সুরক্ষায় বায়ু, পানি ও শব্দ দূষণ রোধ ও জলবায়ু সহনশীল উন্নয়ন নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন উদ্যোগ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ‘‘সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাগুলোর মাধ্যমে বর্জ্য সংগ্রহ, অপসারণ ও মাতুয়াইলের মতো ল্যান্ডফিল সাইটগুলোতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ব্যবস্থাপনাসহ প্লাস্টিক বর্জ্য হ্রাসে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আমি আশা করি, এ ক্ষেত্রে উন্নয়ন সহযোগী দেশগুলো আমাদের পাশে থাকবে।’’
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন বিষয়ে পরিবেশমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘সরকারের ইশতেহার অনুযায়ী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি এবং প্রতি বছর পাঁচ কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে। নির্বাচনি অঙ্গীকার অনুযায়ী এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।’’
এছাড়া রাষ্ট্রদূত ফরাসি সরকারের অর্থায়নে এ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি ত্বরান্বিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। জঁ-মার্ক সেরে-শার্লে বাংলাদেশে পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নে ফ্রান্সের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বস্ত করেন।
তিনি দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার আগ্রহ ব্যক্ত করেন।
এছাড়াও তিনি সম্প্রতি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানান।
সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ পরিবেশ সংরক্ষণ, বন ব্যবস্থাপনা ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করেন। বিশেষ করে সবুজ বনায়ন, প্রযুক্তি বিনিময়, দূষণ রোধ, পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো গড়ে তোলা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় যৌথ উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
কেকে/এসএ