সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬,
২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: সিলেট-সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির শঙ্কা      বন্যার কবলে সাত জেলা : নিহত ৫৪, ছয় লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত      আদ-দ্বীন হাসপাতালের বিষয়ে পরিদর্শনের পর সিদ্ধান্ত : স্বাস্থ্যমন্ত্রী      ৪১৬ বছরপূর্তিতে বর্ণিল ‘ঢাকা উৎসব’, উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী      ১৫ জুলাই সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণের নির্দেশ      সারা দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী      আগামী ৫ বছরে দেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানো হবে: প্রধানমন্ত্রী      
জাতীয়
প্রাথমিকে ধর্মীয় শিক্ষক দিতে হবে, সঙ্গীত শিক্ষক নয় : হেফাজতে ইসলাম
খোলা কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১৩ পিএম আপডেট: ০২.০৪.২০২৬ ১০:৪৭ পিএম
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ধর্মপ্রাণ অভিভাবকদের অমতে গান-বাজনায় শিশু-কিশোরদের বাধ্য করা ধর্মীয় স্বাধীনতার লঙ্ঘন। আপামর ধর্মপ্রাণ মুসলিম অভিভাবকদের অমতে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে সঙ্গীত শিক্ষা চালু করলে তা মুসলিম শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় স্বাধীনতা খর্ব করবে বলে মন্তব্য করেছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান।

বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে তারা এসব বলেন। 

সংস্কৃতিমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে বিবৃতিতে তারা বলেন, ইসলামে বাদ্যযন্ত্র অনুমোদিত নয় বিধায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে ঢালাওভাবে সঙ্গীত শিক্ষার বিষয়টি আপামর ধর্মপ্রাণ মুসলিম অভিভাবকদের কাছে প্রধানত একটি ধর্মীয় ইস্যু। ফলে তাদের মতামত উপেক্ষা করে ক্লাসে গান-বাজনার শিক্ষা দিলে তা মুসলিম শিশু-কিশোরদের ধর্মীয় স্বাধীনতা খর্ব করবে। ধরুন, যদি এমন দাবি তোলা হয়, ধর্মনির্বিশেষে সব শিক্ষার্থীকে ক্লাসে গরু কুরবানির শিক্ষা দিতে হবে। ধর্মীয় স্বাধীনতা বিবেচনায় সেটি যেমন অযৌক্তিক, তেমনি ধর্মনির্বিশেষে সব শিক্ষার্থীকে সঙ্গীত শিক্ষা দেওয়াটাও যৌক্তিক নয়। এখানে যে মূলত ধর্মতাত্ত্বিক ইস্যু ও ধর্মীয় স্বাধীনতার বিষয়টি জড়িত, তা সংস্কৃতিমন্ত্রীকে বিবেচনায় নিতে হবে। বর্তমান সরকার বেকায়দায় পড়ে এমন পরিস্থিতি এড়াতে আমরা আগেভাগেই সংস্কৃতিমন্ত্রীকে এমন গণবিরোধী সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে সরে আসার জোরাল আহ্বান জানাচ্ছি।

তারা আরো বলেন, সঙ্গীত শিক্ষার জন্য দেশে বিভিন্ন বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান রয়েছে। কোনো অভিভাবক যদি তার সন্তানকে সঙ্গীত শিক্ষা দিতে চান, তিনি সেখানে তার সন্তানকে সঙ্গীত শেখানোর ব্যবস্থা করতে পারেন।

নেতৃদ্বয় বলেন, সঙ্গীত শিক্ষা প্রতিটি শিশু-কিশোরের জন্য আবশ্যক নয়। কিন্তু ঈমানদার ও নীতিবান মানুষ হিসেবে বেড়ে ওঠার জন্য ধর্মশিক্ষা তাদের জন্য অপরিহার্য। দুটোর মধ্যে তুলনা চলে না। ফলে ওলামায়ে কেরাম অনেক আগ থেকেই প্রাথমিকে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়ে এসেছেন। এটি দেশের আপামর ধর্মপ্রাণ মুসলিম অভিভাবকদেরও দাবি। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি আমাদের জোর আহ্বান, দেশের ওলামায়ে কেরাম ও ধর্মপ্রাণ মুসলিম অভিভাবকদের দাবি মেনে দ্রুত প্রাথমিকে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা করুন। মুসলিমসহ অন্যান্য ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের জন্যও ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিলে সবার ধর্মীয় স্বাধীনতা বজায় থাকবে।

হেফাজত নেতারা বলেন, পতিত ফ্যাসিস্ট আমল থেকে নানা কারণে দেশের সাধারণ স্কুলগুলো শিক্ষার্থী সঙ্কটে রয়েছে। বিদ্যমান সেক্যুলার শিক্ষাব্যবস্থা নানা ব্যর্থতা, প্রশ্নফাঁস, জালিয়াতি, অদক্ষতা ও জাতীয় পাঠ্যবই বিতর্কের কারণে দেশের আপামর অভিভাবকদের আস্থা হারিয়েছে। এমতাবস্থায় স্কুল ত্যাগ করা শিক্ষার্থীদের জন্য দ্বীনশিক্ষা ও আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের সমন্বয়ে মাদরাসা তৈরি করার উদ্যোগ নিচ্ছে দেশের আলেম সমাজ।

কেকে/এসএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  ধর্মীয় শিক্ষক    সঙ্গীত শিক্ষক    হেফাজতে ইসলাম   বিবৃতি  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

জাতীয়- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close