জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী বলেছেন, ‘‘সাম্প্রতিক সময়ে হঠাৎ বৃষ্টি ও ঝড়ে আলুর যে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, তার প্রধান কারণ হিসেবে ড্রেনেজ ব্যবস্থার অচল অবস্থাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। আমাদের এলাকার খালগুলো যদি সচল থাকত, তবে আলুচাষিদের এই চরম ক্ষতির সম্মুখীন হতে হতো না।’’
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) জুমার নামাজের পূর্বে কালাই উপজেলার মাত্রাই ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া হারাবতী নদীর কানমনা খাল খনন উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আব্দুল বারী আরও বলেন, ‘‘সরকার বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের পুনর্বাসনের পাশাপাশি দেশে উৎপাদিত অতিরিক্ত ১৫-২০ লক্ষ মেট্রিক টন আলুর সঠিক ব্যবহার এবং কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে কাজ করছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের মঙ্গলের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে সরাসরি অর্থনৈতিক সুবিধা পৌঁছে দিতে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অবহেলিত ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য বিশেষ ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছে।’’
এ সময় জেলা প্রশাসক আল মামুন মিয়া, কালাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীম আরা, কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. হারুনুর রশিদ, কালাই উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইব্রাহীম হোসেন ফকির, যুগ্ম আহ্বায়ক মওদুদ আলম সরকার, কালাই পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল আলীম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, জয়পুরহাটে কানমনা হারাবতী খালের ৬ কিলোমিটার খননকাজের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৭১ লক্ষ টাকা। এই কাজগুলো দেখভাল করবে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
কেকে/এসএ