কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলায় পরিবহনে চাঁদাবাজির মিথ্যা অপবাদের প্রতিবাদের সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার কুড়িগ্রাম জেলা বাস-মিনিবাস মটর শ্রমিক ইউনিয়ন রৌমারী শাখা কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করেন সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি জিন্নাত আলী।
সংবাদ সম্মেলনে লিখত বক্তব্যে জিন্নাত আলী বলেন, ‘শুক্রবার (৩ এপ্রিল) আনুমানিক রাত ৯টার দিকে একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুড়িগ্রাম জেলা বাস-মিনিবাস মটর শ্রমিক ইউনিয়ন রৌমারী উপজেলা শাখাকে’ চাঁদাবাজির মিথ্যা অপবাদ দিয়ে শাওন পরিহনের মালিক আব্দুল মতিন ও তার সঙ্গে থাকা লোকজন নিয়ে ঘৃর্ণ অপচেষ্টা চালিয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘শাওন পরিবহনের মালিক আব্দুল মতিনের ছয়টি পরিবহন (বাস) চলে। আবার দুইটি পরিবহন (বাস) কিনে চলাচল শুরু করিয়েছেন তিনি। কিন্তু সংগঠনকে না জানিয়ে চালালে পরিবহনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের সম্ভাবনা দেখা দেওয়ায় ওই পরিবহন (বাস) দুইটি কোন সড়কে চলাচল করে তার কাউন্টারে গিয়ে জানতে চান সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তার সঙ্গে থাকা লোকজনকে নিয়ে চাঁদাবাজ, চাঁদাবাজ বলে চিৎকার করেন মালিক আব্দুল মতিন। এ সময় কিছু সাংবাদিক ভাইকে ডেকে কুড়িগ্রাম জেলা বাস-মিনিবাস (রেজি.৩১৪) রৌমারী উপজেলা শাখাকে সম্পূর্ণ অবৈধ বলে ঘোষণা করেন এবং শ্রমিকদের নামে চাঁদাবাজির মিথ্যা অপবাদ, কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও গালিগালাজ করে শ্রমিকদের ভাবমূর্তি মারাত্মকভারে ক্ষুন্ন করেছেন আব্দুল মতিন।’
এমন কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান জিন্নাত আলী।
সংবাদ সম্মেলনে কুড়িগ্রাম জেলা বাস-মিনিবাস মটর শ্রমিক ইউনিয়ন রৌমারী উপজেলা শাখার সহসভাপতি শহিদুর রহমান বলেন, ‘একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই কমিটিকে অবৈধ ঘোষণা করেছেন। সংগঠন অবৈধ নয়, তার ব্যবসায় অবৈধ। তিনি নিজেও অবৈধ। এর আগে আমরা দেখেছি, তিনি বিভিন্ন অবৈধ ও অশ্লীল কাজে লিপ্ত। তিনি দশ বছর আগে মানুষের গাড়ি চালিয়েছেন। তিনি কিভাবে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন? কিভাবে এতগুলো গাড়ির মালিক হলেন?’
এ ঘটনায় প্রশাসনের কাছে বিচারের দাবি জানান তিনি।
কেকে/এমএ