পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান চলতি মাসের শেষ দিকে চীন যাচ্ছেন, যেখানে তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করতে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইরের সঙ্গে বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন।
রোববার (৫ এপ্রিল) পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে ঢাকায় চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সৌজন্য সাক্ষাতের সময় পরিকল্পিত ওই সফরের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এদিন বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন চীনের রাষ্ট্রদূত।
প্রসঙ্গত, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি খলিলুর রহমান বাংলাদেশের নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তাকে অভিনন্দন জানান চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির পলিটব্যুরোর সদস্য ওয়াং ই। অভিনন্দন বার্তায় ওয়াং ই বলেন, “দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে কাজ করতে চান।”
এর মাধ্যমে তিনি চীন-বাংলাদেশ ‘বিস্তৃত কৌশলগত অংশীদারত্বের’ সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন ।
ঢাকার সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে বেইজিংয়ের গুরুত্বের উল্লেখ করে ওয়াং ই বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা আরও গভীর করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
এদিকে চলতি মাসে বাংলাদেশ ও চীনের পররাষ্ট্রসচিবদের মধ্যে ঢাকায় অনুষ্ঠিত বৈঠকটি একেবারে শেষ মুহুর্তে স্থগিত হয়ে গেছে। গত ৩ এপ্রিল ঢাকায় দুই দেশের পররাষ্ট্রসচিবদের ১৪ তম বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। বৈঠকে চীনের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সুন ওয়েইডংয়ের তার দেশের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তাকে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী করার ফলে চীনের পক্ষ থেকে বৈঠকটি স্থগিত করার অনুরোধ জানানো হয়।
কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের বেইজিং সফরের আগে ঢাকায় দুই দেশের পররাষ্ট্রসচিবদের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা কম।
কেকে/এলএ