দক্ষিণ লেবাননে একটি নতুন ‘ইয়েলো লাইন’ (হলুদ রেখা) বা সীমানা নির্ধারণের ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী। গাজা উপত্যকায় হামাস-নিয়ন্ত্রিত এলাকা থেকে ইসরায়েলের বাহিনীকে পৃথক করতে যে ধরনের পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়, লেবাননেও ঠিক একই ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে দখলদার সেনাবাহিনী জানিয়েছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) এ তথ্য জানা গেছে।
লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে প্রথমবারের মত এই ‘ইয়েলো লাইন’-এর কথা উল্লেখ করে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী বিবৃতি দিয়েছে।
তারা জানিয়েছে, গেল ২৪ ঘণ্টায় তারা এই রেখা অতিক্রম করা সন্দেহভাজন হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের ওপর হামলা চালিয়েছে।
ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর দাবি অনুযায়ী, দক্ষিণ লেবাননে অবস্থানরত ইসরায়েলের বাহিনীর কাছে উত্তর দিক থেকে এই যোদ্ধারা এগিয়ে আসছিল। ইসরায়েলের বাহিনীর দৃষ্টিতে এটি যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন এবং বাহিনীর জন্য সরাসরি হুমকি হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় হামলা করা হয়।
ইসরায়েলের বাহিনী বিবৃতিতে বলেছে, ‘হুমকি নির্মূল করার লক্ষ্যে সামরিক বাহিনী দক্ষিণ লেবাননের বেশ কয়েকটি এলাকায় হামলা চালিয়েছে।’
তারা আরও স্পষ্ট করেছে, যুদ্ধবিরতি চললেও যেকোনো সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর রয়েছে।
গেল ১০ অক্টোবর গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে সেখানে একটি ‘ইয়েলো লাইন’ বিদ্যমান। এই রেখাটি কার্যত গাজাকে দুই ভাগে বিভক্ত করেছে। যার একটি অংশ ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর অধীনে এবং অন্যটি হামাসের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এখন লেবানন সীমান্তেও একই ধরনের সামরিক বিভাজন রেখা কার্যকর করা হলো।
সূত্র : আলজাজিরা
কেকে/এমএ