সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬,
২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: সারা দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী      আগামী ৫ বছরে দেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানো হবে: প্রধানমন্ত্রী      দীর্ঘ হচ্ছে হামে মৃত্যুর মিছিল      ডুবল ঢাকা ভুগল মানুষ      ব্যাংককের বারে ভয়াবহ আগুন, নিহত অন্তত ২৭ জন      একদিনের সফরে বরিশালের পথে প্রধানমন্ত্রী      রাজধানীতে জলাবদ্ধতা      
দেশজুড়ে
ব্রাহ্মণপাড়ায় কোরবানিকে ঘিরে প্রস্তুত খামারিরা, চাহিদার তুলনায় মজুদ পর্যাপ্ত
ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১:১৫ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

‎আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় কোরবানির পশুর শতভাগ চাহিদা স্থানীয় খামারিরা মেটাতে পারবেন বলে জানিয়েছেন প্রাণিসম্পদ দপ্তর।

অবৈধ পথে ভারতীয় গরু প্রবেশ না করলে এবার খামারিরা লাভবান হবেন বলেও আশা করছেন স্থানীয় খামারীরা। 

উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর কোরবানির ঈদে গরু ও ছাগলসহ চাহিদা রয়েছে প্রায় ৯ হাজার পশুর। 

এই চাহিদার বিপরীতে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বিভিন্ন খামার ও কৃষকের বাড়ীতে রয়েছে প্রায় ১০ হাজারেরও মতো পশু। চাহিদার চেয়ে বেশি গবাদিপশু প্রস্তুত থাকায় এই বছর কোরবানির পশু সংকট হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। 

এছাড়া অনেকেই কোরবানির জন্য নিজেরাই গবাদি পশু নিজেরদের বাড়ীতে পালন করছে। চাহিদার তুলনায় পশুর যোগান বেশি থাকায় ঈদের বাজার এবার খামারি ও ক্রেতা উভয়ের জন্যই অনুকূলে থাকবে বলে ধারণা করছেন প্রাণিসম্পদ দপ্তর। 

প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী ভারত থেকে বৈধ বা অবৈধ উপায়ে গরু আমদানি বন্ধ রাখতে হবে। যদি আমদানি বন্ধ করা যায়, তবে দেশীয় খামারিরা লাভবান হবেন। খামারিরা যাতে কোরবানির পশুর ন্যায্যদাম পান, সেজন্য সীমান্ত এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নজরদারি আরও বাড়াতে হবে। 

উপজেলার শিদলাই গ্রামের খামারী আবুল হাসেম বলেন, ‘কোরবানির জন্য এ বছর খামারে ১০টি গরু লালনপালন করেছি। আশা করছি সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ভালো দাম পাওয়া যাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে গরু লালনপালনের খরচ অনেক বেশি। তার খামারের প্রতিটি গরুর দাম হবে এক থেকে দেড় লাখ টাকা। তাই ঈদের বাজারে ভারতীয় গরু প্রবেশ করলে তার মতো স্থানীয় খামারিরা বিপাকে পড়তে পারেন।’

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আতিকুর রহমান বলেন, ‘আসন্ন ঈদ-উল-আযহার জন্য চাহিদার চেয়ে বেশি পশু প্রস্তুত আছে। খামারিরা নিয়ম মেনে পরিকল্পণা মাফিক প্রক্রিয়াজাত খাদ্য ও সংশ্লিষ্ট ওষুধ ব্যবহার করে পশু লালন-পালন করেছেন।’

যেকোনো সমস্যা মোকাবেলায় প্রাণিসম্পদ দপ্তর প্রস্তুত রয়েছেন বলেও তিনি জানান।

কেকে/ এমএস


মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close