বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশনে (বিসিক) প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান বিসিক ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (বিটিআই) এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) রংপুরের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের যৌথ উদ্যোগে পাঁচ দিনের ‘উদ্যোক্তা উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শেষ হয়েছে।
বুধবার (১৭ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-৩’-এর ২০১ নম্বর কক্ষে কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সমাপনী অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন ড. মো. ফেরদৌস রহমান, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিউল আজম খান, মার্কেটিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. জাহিদ হোসেন, ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. নূর আলম সিদ্দিক, এমআইএস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহকারী অধ্যাপক এসএম আশরাফুল আলম, মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক শেখ মাজেদুল হক, বিসিক জেলা কার্যালয় রংপুরের সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. রকিবুল হাসান এবং শিল্পনগরী কর্মকর্তা মো. রেজাউল ইসলাম।
কর্মসূচির কোর্স পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন বিসিক ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের সহযোগী অনুষদ সদস্য মো. তানজিম হোসেন। কোর্স সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করেন বিটিআইয়ের সহকারী অনুষদ সদস্য মিফতাহুল জান্নাত রিপা এবং মো. জুবায়ের ইসলাম।
১৩-১৭ জুন অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা ব্যবসায় পরিকল্পনা প্রণয়ন, উদ্যোগ ব্যবস্থাপনা, বিপণন কৌশল, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, নেতৃত্ব উন্নয়ন এবং সফল উদ্যোক্তা হওয়ার বিভিন্ন ব্যবহারিক ও কারিগরি বিষয়ে প্রশিক্ষণ নে।
সমাপনী অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল শিক্ষার্থীদের বিজনেস আইডিয়া উপস্থাপন। প্রশিক্ষণার্থীরা তিনটি দলে বিভক্ত হয়ে উদ্ভাবনী ব্যবসায়িক ধারণা উপস্থাপন করেন। উপস্থাপিত ধারণাগুলোর মূল্যায়ন শেষে অতিথিরা একটি বিজনেস আইডিয়াকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।
অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্যোক্তা মানসিকতা বিকাশ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির গুরুত্ব তুলে ধরেন।
তারা বলেন, ‘শিক্ষিত তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও শিল্পায়ন ত্বরান্বিত করা সম্ভব। বিসিক ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এ যৌথ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা, তাদের উদ্ভাবনী চিন্তাকে উৎসাহিত করা এবং ভবিষ্যতে টেকসই কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে সহায়তা করা।’
কেকে/এমএ