দেশজুড়ে ‘ফাস্ট ডেলিভারি’ সেবা চালু করছে দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন শপিং প্ল্যাটফর্ম দারাজ বাংলাদেশ। গত ১৪ আগস্ট থেকে চালু হওয়া এ সুবিধায় ক্রেতা ও বিক্রেতার কোনো অতিরিক্ত খরচ হবে না। প্রাথমিকভাবে ২ হাজার ৫০০-এর বেশি বিক্রেতার প্রায় ৫০ হাজার পণ্য এ সেবার আওতায় আসবে।
১২ আগস্ট ঢাকায় দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দারাজ বাংলাদেশ এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ফাস্ট ডেলিভারির মাধ্যমে দেশজুড়ে গ্রাহকদের অনলাইন কেনাকাটা আরও দ্রুত, সহজ ও নির্ভরযোগ্য হবে। দারাজের শক্তিশালী লজিস্টিকস নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে যোগ্য পণ্য দ্রুততম সময়ে গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।
‘ফাস্ট ডেলিভারি’ ট্যাগযুক্ত পণ্যগুলো এমন বিক্রেতাদের কাছ থেকে আসবে, যারা নিয়মিত সময়মতো পণ্য প্রস্তুত ও ডেলিভারি দেওয়ার ক্ষেত্রে ভালো পারফরম্যান্স করে আসছেন। ফলে দ্রুত ও নির্ভরযোগ্যভাবে ডেলিভারি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে—এমন পণ্য সহজেই শনাক্ত করতে পারবেন ক্রেতারা।
উদ্বোধনের সময় লাইফস্টাইল, এফএমসিজি (গ্রোসারি), ইলেকট্রনিক্স ও ফ্যাশন বিভাগের প্রায় ৫০ হাজার পণ্য এ সুবিধার আওতায় থাকবে। সারা দেশের ২ হাজার ৫০০-এর বেশি বিক্রেতা ইতোমধ্যে ফাস্ট ডেলিভারি প্রোগ্রামের নির্ধারিত মান পূরণ করেছেন।
দারাজ বাংলাদেশের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার কামরুল হাসান বলেন, বর্তমান গ্রাহকরা এমন অনলাইন শপিং অভিজ্ঞতা চান, যা তাদের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে সহজেই মানিয়ে যায়। ফাস্ট ডেলিভারি সেই চাহিদা পূরণের একটি উদ্যোগ।
তার ভাষ্য, এ সেবার মাধ্যমে গ্রাহকরা আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য ডেলিভারি পাবেন। একই সঙ্গে বিক্রেতারাও দ্রুত সম্প্রসারিত ই-কমার্স বাজারে আরও কার্যকরভাবে প্রতিযোগিতা করার সুযোগ পাবেন। লজিস্টিকস ব্যবস্থায় বিনিয়োগের মাধ্যমে দারাজ গ্রাহকদের নিশ্চিন্তে কেনাকাটা এবং বিক্রেতাদের উন্নত সেবা দেওয়ার সুযোগ তৈরি করছে।
গত ১৪ আগস্ট থেকে কেনাকাটার সময় ফাস্ট ডেলিভারি সুবিধা সহজেই শনাক্ত করা হয়। যোগ্য পণ্যের প্রোডাক্ট পেজে বিশেষ ট্যাগের পাশাপাশি নতুন সার্চ ফিল্টার থাকবে। সাধারণ চেকআউট মূল্যের বাইরে এ সেবার জন্য কোনো অতিরিক্ত ফি, কমিশন বা সারচার্জ দিতে হবে না।
দারাজের ঢাকা-ভিত্তিক বিক্রেতা নোমান আলী বলেন, তার স্টোর ফাস্ট ডেলিভারির জন্য যোগ্য হওয়ায় গ্রাহকদের মধ্যে পণ্য দ্রুত পৌঁছানোর বিষয়ে আরও আস্থা তৈরি হবে। ছোট ব্যবসার জন্য এ ধরনের আস্থা গুরুত্বপূর্ণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
দারাজ জানিয়েছে, দেশের অনলাইন কেনাকাটাকে আরও সহজলভ্য, নির্ভরযোগ্য ও সুবিধাজনক করতে প্রযুক্তি, লজিস্টিকস এবং বিক্রেতাদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিনিয়োগ অব্যাহত থাকবে।
কেকে/ এমএস