শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬,
২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: দেশের পাঁচ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে      ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন ২০২৬’-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন      সহসাই ফেরানো যাচ্ছে না শেখ হাসিনাকে      টনক নড়ে প্রাণহানিতে      চট্টগ্রামে পানিবন্দি ও খাদ্য সংকটে সাড়ে ৪ লাখ মানুষ      স্পেনে ভয়াবহ দাবানলে ১২ জনের প্রাণহানি      ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন ২০২৬’-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন      
জাতীয়
ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন
‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন ২০২৬’-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন
খোলা কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬, ৮:৩১ এএম
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিল্পায়ন এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য সেবা সহজ ও সমন্বিত করতে এটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার ১২তম বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়।

নতুন এ আইনের আওতায় বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষের (পিপিপিএ) কার্যক্রম সমন্বিত হবে। প্রস্তাবিত আইনের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন, নিবন্ধন, আমদানি-রপ্তানি, প্রণোদনা, শিল্পাঞ্চল উন্নয়ন এবং সরকারি সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও সমন্বিত হবে।

সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে সিঙ্গেল উইন্ডো ক্লিয়ারেন্স, ওয়ান-স্টপ সার্ভিস, অনুমোদন ও লাইসেন্সিং প্রক্রিয়ার ডিজিটালাইজেশন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে।

সরকারের মতে, নতুন আইন কার্যকর হলে বিনিয়োগ উন্নয়ন কার্যক্রমে বিদ্যমান নীতিগত অসামঞ্জস্যতা কমবে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বের দ্বৈততা দূর হবে এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী হবে।  পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি সমন্বিত বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে উঠবে।

আইনটির উল্লেখযোগ্য দিকগুলোর মধ্যে রয়েছে অর্থনৈতিক অঞ্চল, মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলসহ ঘোষিত শিল্পাঞ্চলকে সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনার সুযোগ, লাইসেন্স ও অনুমোদন প্রদানের পদ্ধতি এবং সময়সীমা নির্ধারণ, ক্ষুদ্র পিপিপি প্রকল্পে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগের মাধ্যমে সহজ অনুমোদনের ব্যবস্থা এবং অব্যবহৃত সরকারি জমি, স্থাপনা, শেয়ার ও স্বত্ব উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহারের সুযোগ। এ ছাড়াও, বিনিয়োগ ও ব্যবসা-সংক্রান্ত সব ধরনের সেবা একক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনার বিধান রাখা হয়েছে।

মন্ত্রিসভার বৈঠকে এছাড়াও ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (২০২৬-২০৩০)’ এবং ‘আমদানি নীতি আদেশ, ২০২৬-২০২৯’-এর খসড়াও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। 

নতুন জ্বালানি কৌশলপত্রে ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ ২০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে নতুন আমদানি নীতি আদেশে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আধুনিক পদ্ধতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমদানি প্রক্রিয়া সহজীকরণ, মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল, সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যারহাউজ, অনলাইন অনুমোদন ব্যবস্থা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিনিয়োগে নতুন সুবিধার বিধান রাখা হয়েছে।

কেকে/এলএ




মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

জাতীয়- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close