জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে গত সপ্তাহে প্রথমবারের মতো ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ ছাড়াও তিনি সাতটি উচ্চ-পর্যায়ের সভায় বক্তব্য দেন। পাশাপাশি ১১টি দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও জাতিসংঘসহ ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। একই পরিবারের তিন সদস্যের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করাকে বিশ্ব ইতিহাসে অনন্য ঘটনা বলে অভিহিত করে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিদলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছে মন্ত্রিসভা।
সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ২২তম বৈঠকে এ অভিনন্দন জানানো হয়।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী মোট ৩২টি আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশ সরকারের অঙ্গীকার ও প্রত্যাশাকে বিশ্ব পরিসরে তুলে ধরা হয়েছে, যা দ্বিপক্ষীয় ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।’
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ এক ঐতিহাসিক ঘটনা, যা দেশের জন্যও বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ।’
বলে রাখা ভালো, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তারেক রহমান প্রথম ভাষণ দেন। এর পূর্বে ১৯৮০ সালের ২৬ আগস্ট সাধারণ পরিষদের ১১তম বিশেষ অধিবেশনে ভাষণ দেন তার বাবা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। পরে ১৯৯৩ সালের ১ অক্টোবর তার মা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সাধারণ পরিষদের ৪৮তম অধিবেশনে ভাষণ দেন।
কেকে/এমএ