শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬,
২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: বৃষ্টির প্রভাবে চড়া সবজির বাজার, বেড়েছে মাছ-মুরগির দামও      দেশের পাঁচ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে      ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন ২০২৬’-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন      সহসাই ফেরানো যাচ্ছে না শেখ হাসিনাকে      টনক নড়ে প্রাণহানিতে      চট্টগ্রামে পানিবন্দি ও খাদ্য সংকটে সাড়ে ৪ লাখ মানুষ      স্পেনে ভয়াবহ দাবানলে ১২ জনের প্রাণহানি      
অর্থনীতি
বৃষ্টির প্রভাবে চড়া সবজির বাজার, বেড়েছে মাছ-মুরগির দামও
খোলা কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬, ২:১৫ পিএম
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

গত কয়েক দিনের বৃষ্টির প্রভাবে রাজধানীতে বেড়েছে সবজির দাম। মান ও আকারভেদে বিভিন্ন সবজি ১০-২০ টাকা বেশিতে বিক্রি হচ্ছে। সেই সঙ্গে বেড়ে মাছের দাম।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল থেকেই বৃষ্টি থাকলেও কাঁচাবাজারে ক্রেতাদের ভিড় অন্য দিনের মতোই।

রাজধানীর কয়েকটি সবজির বাজারে কাঁচা কলার প্রতিহালি বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকায়। মানভেদে প্রতি কেজি পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা। চাল কুমড়া প্রতিটির দাম ২০ টাকা।

তবে বর্ষাকাল হওয়ার বাজারে শাকের সরবরাহ বেশি। লাল শাক প্রতি আটি ১০ টাকা। পুইশাক ১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে প্রতি আটি। কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকায়। লাউ ৫০ টাকা। ৬০-৮০ টাকায় সাধারণ মানের বেগুন বিক্রি হলেও গতকাল বাজারভেদে তা ছিল ৭০-৮০ টাকা। ৪০-৬০ টাকার পটোল বিক্রি হয় ৫০-৬০ টাকায়। মিষ্টিকুমড়ার দাম অপরিবর্তিত। কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে করলা বিক্রি হয় ৬০-৮০ টাকায়। ঝিঙ্গা ৬০-৭০, কাঁকরোল ৭০-৮০, ঢ্যাঁড়শ ও চিচিঙ্গা ৫০-৬০, কচুরলতি ৭০-৯০, বরবটি ৬০-৮০, শসা ৬০-৯০ টাকায় বিক্রি হয়। এছাড়া কাঁচামরিচ ৮০-১৬০ টাকায় বিক্রি হয়।

চালের দাম নতুন করে বাড়েনি। আগের দামেই কেজি ৩ টাকা বেশি দিয়ে কিনছেন ক্রেতারা। মিনিকেট চালের দাম ৭৫ টাকা। মোটা চাল ৫৫-৬০ টাকা। নাজিরশাইল চাল ৯০ টাকা। চিনিগুড়া চালের দাম ২০০ টাকা ছাড়িয়েছে।

বেড়েছে মুরগির দামও। গত সপ্তাহে বাজারভেদে ব্রয়লার মুরগি ১৬০-১৮০ টাকায় বিক্রি হলেও গতকাল ১৭০-১৯০ টাকায় বিক্রি হয়। সোনালি মুরগি ৩৪০-৩৬০ টাকা, লেয়ার ৩২০-৩৪০ এবং দেশি মুরগি ৬২০-৬৫০ টাকায় বিক্রি হয়। গরুর মাংসের দাম ৭৫০-৮৫০ টাকা এবং খাসির মাংস এক হাজার ১০০ থেকে এক হাজার ২০০ টাকা।

তবে মাছের বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়নি। বড় রুই মাছ ৪৫০-৫৫০ টাকা, মাঝারি রুই ৩৫০-৪৫০ টাকা এবং ছোট রুই বিক্রি হয় ৩০০-৩৫০ টাকায়। কাতল আকারভেদে ৩৪০-৪৮০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০-২৫০ টাকা, শিং ৪০০-৫০০ টাকা, পাবদা ৩০০-৪৫০ টাকা, টেংরা ৬০০-৮০০ টাকা, পাঙাশ আকারভেদে ১৮০-৩৫০ টাকা, চাষের কৈ ২০০-২৮০ টাকা, সিলভার কার্প ১৮০-২৪০ টাকা এবং চিংড়ি ৮০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কেকে/এলএ



আরও সংবাদ   বিষয়:  বাজার   চড়া দাম  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

অর্থনীতি- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close