বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬,
৪ ভাদ্র ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম: এনবিআরের পাঁচ অঙ্গীকার      কলকাতায় আগুনে ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু      তিন জেলার ডিসি প্রত্যাহার      রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করব: মির্জা ফখরুল      প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে কোনো আপডেট আমার কাছে নেই : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী      দুই জঙ্গিসহ এখনও পলাতক ৬৯০ কারাবন্দি, তথ্য নেই ১৬৬ জনের      সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী      
খোলাকাগজ স্পেশাল
এনবিআরের পাঁচ অঙ্গীকার
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৮ এএম
ছবি : খোলা কাগজ

ছবি : খোলা কাগজ

করদাতাদের আস্থা অর্জন ও রাজস্ব ব্যবস্থাকে আরও জনবান্ধব করতে পাঁচটি অঙ্গীকার করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। নিয়মিত করদাতাদের হয়রানিমুক্ত সেবা দেওয়ার পাশাপাশি কর ফাঁকিদাতাদের আইনের আওতায় এনে টেকসই রাজস্ব ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে সংস্থাটি। একই সঙ্গে ঋণনির্ভরতা কমিয়ে অভ্যন্তরীণ সম্পদনির্ভর অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যেতে রাজস্ব ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। করদাতাবান্ধব পরিবেশ তৈরি, করের আওতা সম্প্রসারণ, পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন এবং রাজস্ব নীতি ও প্রশাসন পৃথক করার মাধ্যমে এনবিআরকে আরও স্বচ্ছ, দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কর-জিডিপি অনুপাত ৬ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে ১৫ শতাংশে উন্নীত এবং ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলনকেন্দ্রে আয়োজিত ‘রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬’-এ এসব তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবীব বলেন, সম্মানিত করদাতারা রাষ্ট্রের উন্নয়ন অংশীদার এবং পরিচালন ব্যয়ের নিয়ামক শক্তি। যিনি নিয়মিত কর দেন, তাঁর প্রাপ্য সম্মান ও স্বস্তি নিশ্চিত করা আমাদের পবিত্র দায়িত্ব। যিনি কর ফাঁকি দেন, তাঁকেও যথাযথভাবে আইনের আওতায় আনা আমাদের দায়িত্ব। এ দুটি কাজ একসঙ্গে করতে পারলেই কর ব্যবস্থার প্রতি করদাতা তথা নাগরিকদের আস্থা তৈরি হবে। আর এ আস্থাই হবে দীর্ঘমেয়াদে সবচেয়ে বড় রাজস্ব উৎস।

পাঁচটি অঙ্গীকার তুলে ধরে আহসান হাবীব বলেন, ‘এক. আমাদের সেবা হবে ন্যায্য, আইনের দৃষ্টিতে সব করদাতা সমান’—এই নীতির সমপ্রয়োগ। দুই. সেবা প্রাপ্তি হবে সহজ, দপ্তরে কম যাতায়াত এবং একই তথ্য বারবার চাওয়া হবে না। তিন. আইনের পরিবর্তন হবে প্রেডিক্টেবল, অর্থাৎ অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শক্রমে করা হবে। চার. সামগ্রিক অটোমেশনের মাধ্যমে আইন পরিপালন ও সেবা সহজীকরণ করা হবে। পাঁচ. রাজস্ব প্রশাসন হবে স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিমূলক।’

করদাতাদের আস্থা অর্জনের পাশাপাশি রাজস্ব আহরণ বাড়াতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। বর্তমানে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ থাকা কর-জিডিপি অনুপাত মধ্য মেয়াদে ১০ শতাংশ এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে ১৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে ‘রিকভারি, রেস্টোরেশন অ্যান্ড রিকনস্ট্রাকশন’ বা থ্রিআর (৩আর) কৌশল নিয়ে এগোচ্ছে সংস্থাটি।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, রাজস্ব প্রশাসন থেকে রাজস্ব নীতি পৃথক করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সরকারের কোষাগারে জমা হওয়া প্রতি ১০০ টাকা রাজস্বের মধ্যে ৮৬ টাকা এনবিআরের মাধ্যমে আহরিত হয়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ে ১২ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে, যেখানে আগের অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ছিল ২ দশমিক ৫ শতাংশ।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকারের বাজেটের আকার ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। মোট রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে এনবিআরের মাধ্যমে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্য রয়েছে। এই লক্ষ্য অর্জনে প্রায় ৪৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি প্রয়োজন হবে। এর মধ্যে আয়কর খাতে ২ লাখ ২৩ হাজার ৪৮০ কোটি, ভ্যাটে ২ লাখ ২৩ হাজার ৪৮০ কোটি এবং কাস্টমসে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৪০ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আয়কর আদায়ে উৎসে কর কর্তন, মাঠপর্যায়ে মনিটরিং এবং কর ফাঁকি শনাক্তে ‘ট্র্যাক অ্যান্ড ট্রেস’ পদ্ধতি জোরদার করা হবে। ভ্যাটের আওতা বাড়ানো, নতুন করদাতা শনাক্ত এবং তামাকজাত পণ্যে ‘ট্র্যাক অ্যান্ড ট্রেস’ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। কাস্টমস খাতে যথাযথ শুল্কায়ন, দ্রুত পণ্য খালাস, বন্ডের অপব্যবহার বন্ধ ও চোরাচালান প্রতিরোধে গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদার করা হবে।

এনবিআর জানিয়েছে, ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো, ই-টিআইএন, ই-রিটার্ন, ই-টিডিএস, ই-রেজিস্ট্রেশন ও ই-রিফান্ডসহ বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা চালু রয়েছে। বর্তমানে ৯৪ শতাংশ করদাতা অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করছেন।

নিয়মিত করদাতাদের সম্মান ও স্বস্তি নিশ্চিত করা এবং কর ফাঁকিদাতাদের আইনের আওতায় আনার মাধ্যমে টেকসই রাজস্ব ব্যবস্থা গড়ে তুলে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যে ভূমিকা রাখার প্রত্যয় জানিয়েছে এনবিআর।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) জনগণের কাছে ভয় নয়, বরং বিশ্বাস ও আস্থার প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, দক্ষ, স্বচ্ছ ও টেকসই রাজস্ব ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেই করদাতাদের আস্থা অর্জন সম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের সাফল্য অনেকাংশে এনবিআরের কার্যক্রমের ওপর নির্ভরশীল। দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণের নিয়ম উপেক্ষা করে ব্যক্তি কিংবা দলীয় স্বার্থে কাউকে পৃষ্ঠপোষকতা, কারও প্রতি বিরূপ মনোভাব কিংবা রাজস্ব আহরণে স্বেচ্ছাচারিতা এনবিআরকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছিল। এনবিআরের ওপর মানুষের আস্থা বিনষ্ট হয়েছিল। এখন এনবিআরকে নির্ভরযোগ্য ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে।

তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর অতিরিক্ত ঋণের বোঝা চাপিয়ে বৈদেশিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল থাকা সরকারের নীতি নয়। অভ্যন্তরীণ আয়ের উৎস বাড়াতে উৎপাদন, বিনিয়োগ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পায়ন বাড়াতে হবে। এ ক্ষেত্রেও এনবিআরের কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আধুনিক রাজস্ব কর্মকর্তাদের ডিজিটাল ইকোনমি, ই-কমার্স, ট্রান্সফার প্রাইসিং, আন্তর্জাতিক করব্যবস্থা, ট্রেড ফাইন্যান্স, মানিলন্ডারিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডেটা অ্যানালিটিক্স সম্পর্কে জ্ঞান থাকতে হবে।

তিনি বলেন, একই করদাতার ওপর বারবার করের বোঝা না বাড়িয়ে কর প্রদানে সক্ষম নতুন মানুষ ও প্রতিষ্ঠানকে করের আওতায় আনতে হবে। এ জন্য ডিজিটাল ও ডেটাভিত্তিক কর প্রশাসনের বিকল্প নেই।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ভ্যাট, ট্যাক্স ও কাস্টমস ব্যবস্থাকে সহজ, দুর্নীতিমুক্ত ও হয়রানিমুক্ত করতে হবে, যাতে মানুষ স্বেচ্ছায় কর দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। ফেব্রুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত রাজস্ব আহরণে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আপনারা পারেন, আপনারাই পারেন এবং আপনারা অবশ্যই পারবেন।’

রাজস্ব ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কারের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে নিজস্ব অর্থায়ননির্ভর অর্থনীতিতে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, রাজস্ব আদায় বাড়াতে করের আওতা সম্প্রসারণ, কর অব্যাহতির যৌক্তিকীকরণ, কর ফাঁকি ও পরিহার রোধ এবং পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন নিশ্চিত করা হবে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, অর্থনীতির আকার বাড়লেও সে অনুযায়ী রাষ্ট্রের রাজস্ব আহরণের সক্ষমতা বাড়েনি। এ ব্যবধান কমাতে বিদ্যমান করদাতাদের ওপর শুধু করের বোঝা বাড়ালে হবে না। বরং করের আওতা বাড়াতে হবে, কর অব্যাহতি যৌক্তিক করতে হবে, কর ফাঁকি ও পরিহার বন্ধ করতে হবে এবং অটোমেশনের মাধ্যমে করদাতাদের কমপ্লায়েন্স বাড়াতে হবে।

রাজস্ব প্রশাসনে সরকারের নেওয়া সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুরোনো জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) ভেঙে দুটি স্বতন্ত্র ও স্বচ্ছ প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একটি হবে রাজস্ব নীতি বিভাগ এবং অন্যটি রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ।

অর্থমন্ত্রী বলেন, রাজস্ব নীতি বিভাগ হবে সরকারের ‘থিংক ট্যাংক’। বিশেষজ্ঞ এ সংস্থা একটি ভারসাম্যপূর্ণ, প্রতিযোগিতামূলক ও উন্নয়নবান্ধব কর কাঠামো প্রণয়ন করবে। আর রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ হবে ‘অ্যাকশন টিম’, যারা রাজস্ব আদায় করবে এবং দেশপ্রেমিক নাগরিকের মতো দায়িত্ব পালন করবে।

তিনি বলেন, কর প্রদান প্রক্রিয়া সহজ করা এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য। নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে অর্থনীতিবিদ, বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি, গবেষক এবং শিল্প-বাণিজ্য সংগঠনের বিশেষজ্ঞদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য একটি সম্পূর্ণ ‘কন্টাক্ট-ফ্রি’ ও ‘ফেসলেস’ রাজস্ব প্রশাসন গড়ে তোলা। এরই মধ্যে ই-ট্যাক্স ম্যানেজমেন্ট, আসিকুডা ওয়ার্ল্ড, ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো এবং আধুনিক স্ক্যানিং পদ্ধতির মতো বিভিন্ন ব্যবসাবান্ধব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের উদ্দেশে অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যবসায়ীরা দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি। সরকার ব্যবসায়ীদের পথের কাঁটা নয়, বরং প্রবৃদ্ধি সহায়ক পরিবেশ তৈরি করতে চায়। তবে ব্যবসায়ীদের সময়মতো কর ও ভ্যাট পরিশোধ করে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহযোগিতা করতে হবে।

তিনি বলেন, ২০২৯ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশের চ্যালেঞ্জ অতিক্রম এবং ২০৩৪ সালে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গঠনের লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশ সফল হবে।

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, করদাতার ওপর অতিরিক্ত বোঝা না চাপিয়ে করের আওতা বাড়ানোর মাধ্যমে রাজস্ব আয় বৃদ্ধি করতে হবে। এ জন্য উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা এবং কর সংস্কৃতি গড়ে তুলতে প্রচার-প্রচারণা চালানো হবে।

তিতুমীর বলেন, ভঙ্গুর অর্থনীতি, বড় ঋণের বোঝা ও বিপর্যস্ত ব্যবসা-বাণিজ্যের মধ্যে নতুন সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজস্ব ব্যবস্থাকে কার্যকর করে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, রাজস্ব আহরণে তিনটি কৌশল নেওয়া হয়েছে। প্রথমত, হয়রানিমুক্ত ডিজিটাল সেবা ও করদাতাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা। এজন্য কাস্টমসে আসিকুডা ওয়ার্ল্ড ও ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো, আয়করে ই-রিটার্ন এবং ভ্যাটে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ও রিটার্ন ব্যবস্থা চালু হয়েছে।

দ্বিতীয়ত, রাজস্ব আহরণে গতিশীলতা আনতে কাস্টমস, আয়কর ও ভ্যাটে তিনটি টাস্কফোর্স কাজ করছে।

তৃতীয়ত, বিনিয়োগ বাড়িয়ে বাংলাদেশকে ‘প্রডাকশন হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কেকে/এলএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  এনবিআর  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close