সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
১৩ আশ্বিন ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম: ● নানা বিতর্কে আস্থা হারাচ্ছে বিএনপি      ● তত্ত্বাবধায়ক সরকারসহ সংবিধানের দুই অনুচ্ছেদে গণভোট চায় বিএনপি      ● হাম ও ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল ১৫ জনের      ● ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ছয়জনের মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ২১৫৮       ● হামের উপসর্গে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩৪১      ● জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হচ্ছে : মন্ত্রী টুকু      ● সায়েন্সল্যাবে ঢাকা কলেজ-আইডিয়াল কলেজ শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ      
খোলাকাগজ স্পেশাল
নানা বিতর্কে আস্থা হারাচ্ছে বিএনপি
আলতাফ হোসেন
প্রকাশ: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২৮ এএম আপডেট: ২৮.০৯.২০২৬ ৯:৩২ এএম
ছবি : খোলা কাগজ

ছবি : খোলা কাগজ

ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে, বদলেছে রাজনৈতিক বাস্তবতা। কিন্তু দখল, চাঁদাবাজি, আধিপত্য বিস্তার ও রাজনৈতিক পরিচয়ের অপব্যবহারের অভিযোগ পুরোপুরি থামেনি। সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনায় নতুন করে সামনে এসেছে মাঠপর্যায়ে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের একটি অংশ ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে সম্পদ ও নিয়ন্ত্রণ দখলের অভিযোগ। সরকার বিশেষ অভিযান জোরদারের কথা বললেও দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ নতুন করে সামনে আসায় রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রভাব এবং আইন প্রয়োগের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। 

টিআইবিও বলছে, এসব কর্মকাণ্ড সরকারের উদ্যোগ ও সদিচ্ছাকে ম্লান করে জনগণের কাছে নেতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।

রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মধ্যরাতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট; কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে জলমহালের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ এবং রাজধানীর ইসিবি চত্বরে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ একই সময়ে সামনে এসেছে। তিনটি ঘটনাই স্থানীয় পর্যায়ে প্রভাব, সম্পদ ও নিয়ন্ত্রণকে ঘিরে সংঘাতের চিত্র সামনে এনেছে।

ঢাকার সিএমএম কোর্টের তথ্যানুযায়ী, গত ২০ মাসে ঢাকা মহানগরে চাঁদাবাজির ৩৬৫টি মামলার চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। এসব মামলার ৮৫ শতাংশেই আসামিদের অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। আর ১৫ শতাংশ মামলায় অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। 

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ঢাকা মহানগরের ৫০টি থানার মধ্যে ৪৯টিতে চাঁদাবাজির অভিযোগে ৭২৩টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মামলা হয়েছে মোহাম্মদপুর থানায়। এরপর রয়েছে যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা। একই সময়ে ৪২৫টি মামলার তদন্ত শেষে আদালতে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে পুলিশ। তবে এখনো তদন্তাধীন রয়েছে প্রায় ৪১ শতাংশ মামলা।

অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, যেসব পেটি অফেন্সগুলোর ব্যাপারে ঐতিহ্যগতভাবে আমাদের বিচারকরা অনেক বেশি লিনিয়েন্ট ছিলেন, আমাদের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় তাদেরকে রিথিংক করা উচিত। অন্তত তদন্তের নির্দিষ্ট সময়সীমা পর্যন্ত তাদের কাস্টডিতে কারাগারে রাখা উচিত। 

রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা বলেন, যেসব মামলা স্থগিত হয়েছে, বিশেষ করে ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থা বন্ধ করে রাখার যে কোনো প্রক্রিয়া, এটাকে আমরা সর্বাগ্রে বিবেচনা করব। যাতে এসব স্টেপ ভ্যাকেট করে বিচারিক প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু হতে পারে, সে ব্যবস্থা আমরা গ্রহণ করব।

বিশ্লেষকরা বলছেন, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার। কর্তৃত্ববাদী সরকারের পতনের পর নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় জনগণ পরিবর্তনের প্রত্যাশা করেছিল। সেই অবস্থায় ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে একই ধরনের দখল, চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগ উঠলে তা সরকারের ভাবমূর্তির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কেউ যদি আইন প্রয়োগের বাইরে থাকার সুযোগ পায়, তাহলে বিচারহীনতার সংস্কৃতি পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। 

চাঁদাবাজি, মাদক, অস্ত্র, ছিনতাই ও চোরাচালানসহ অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অভিযান জোরদার করেছে সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, গত ১ মে থেকে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী, চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি, চোরাকারবারি ও ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালু রয়েছে। পাশাপাশি সীমান্তে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ও গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ, এসআরবি, বিজিবি, কোস্ট গার্ড, আনসারসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলোকে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। 

বিশ্লেষকদের মতে, বিভিন্ন থানার ওসি বদলি বা প্রত্যাহার করেও চাঁদাবাজি ও অনিয়ম পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসছে না। কোথাও ওসির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ, কোথাও অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। ওসি পদে বদলিকে ‘লাভজনক’ হিসেবে দেখার এবং এ পদে যেতে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয়ের অভিযোগও সামনে আসছে। সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে অভিযোগের পর একাধিক থানার ওসিকে প্রত্যাহার বা বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে দায়িত্বে অবহেলা, অনিয়ম, রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা এবং অন্যান্য অভিযোগও রয়েছে। 

অভিযোগের সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার একাধিক নজির : 

বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, দখল ও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার একাধিক নজির রয়েছে। জুনে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের ছেলে ও যুবদল নেতা খাইরুল ইসলাম সজীবকে চাঁদাবাজির অভিযোগে আটকের পর যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয়। জুলাইয়ে টঙ্গীতে চাঁদা দাবি ও ঝুট ব্যবসা দখলের অপচেষ্টার মামলার পর বিএনপির এক নেতাকে বহিষ্কার করা হয়। একই মাসে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় চাঁদাবাজি ও মারধরের মামলায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ছয় নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হন।

এ ছাড়া নেত্রকোনার কলমাকান্দায় চাঁদাবাজির অভিযোগে বিএনপির এক নেতাকে বহিষ্কার এবং ঠাকুরগাঁওয়ে চাঁদাবাজি ও জমি দখল নিয়ে লেখালেখির জেরে সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগে এক বিএনপি নেতাকে বহিষ্কারের ঘটনাও সাম্প্রতিক সময়ে সামনে এসেছে।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) বলছে, দখলবাজি ও চাঁদাবাজির মতো কর্মকাণ্ড সরকারের ভালো উদ্যোগ ও সদিচ্ছাকে ম্লান করে জনগণের কাছে নেতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। সংগঠনটির মতে, ক্ষমতাসীন দল তাদের দুর্নীতিবিরোধী নির্বাচনি অঙ্গীকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে এখনই কার্যকর আত্মশুদ্ধিমূলক পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে এসব অনিয়ম নিয়ন্ত্রণের সুযোগ হারাতে পারে।

টিআইবি আরও বলেছে, দলীয় নেতা-কর্মীদের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে কোথাও কোথাও বহিষ্কারসহ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হলেও কঠোর প্রতিরোধমূলক কৌশলের ঘাটতি রয়েছে। পাশাপাশি ক্ষমতার অপব্যবহারে জড়িতদের সঙ্গে সরকারি দলের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পৃক্ততার কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারছে না বলে সংগঠনটির অভিযোগ। এতে স্বেচ্ছাচারিতা, দুর্নীতি, অনিয়ম ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি পুনঃপ্রতিষ্ঠার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। প্রতিটি ঘটনার যথাযথ তদন্ত করে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে টিআইবি।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘কর্তৃত্ববাদী চোরতন্ত্রের পতনের পর বিজয়ের দাবিদার হিসেবে আগস্ট ২০২৪ থেকেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতাকর্মীদের একাংশের বিরুদ্ধে সারা দেশে দখলবাজি, চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারের ব্যাপক অভিযোগ ওঠে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে তৃণমূলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের দলটির অনেক নেতাকর্মী বেপরোয়া আচরণ শুরু করেন, যা গণমাধ্যম, পর্যবেক্ষক ও রাজনৈতিক মহলে উদ্বেগের সঙ্গে আলোচিত হচ্ছে। 

আওয়ামী সরকারের পতনের পরপরই ঢাকার সায়দাবাদ, মহাখালী ও গাবতলীর মতো, চট্টগ্রাম, সিলেট ও খুলনাসহ দেশের প্রধান প্রধান বাস টার্মিনাল, ফুটপাত, বাজার, জলমহাল, বালুমহাল, হাটবাজার, ক্যাবল সংযোগ ও ইন্টারনেট, বর্জ্য সংগ্রহ সংক্রান্ত ব্যবসা এবং উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে অনুরূপ চাঁদাবাজি ও দখলবাজির হাতবদলকে বিএনপির নেতাকর্মীদের একাংশ মহোৎসবে পরিণত করেছেন। যা কেন্দ্র করে নিজেদের মধ্যে অসুস্থ প্রতিযোগিতা ও অন্তর্ঘাত অনেক ক্ষেত্রে নির্লজ্জভাবে সহিংস রূপ ধারণ করছে। 

দৈনিক, মাসিক ও এককালীন চাঁদাবাজির এই অপতৎপরতা শুধু চলমান থাকেনি, বরং  সরকারের একজন মন্ত্রী যখন ‘চাঁদাবাজি দুর্নীতি নয়, সমঝোতার লেনদেন’ মর্মে একাধিকবার ঘোষণা দেওয়া সত্ত্বেও সরকারের পক্ষ থেকে তার এ অবস্থানের প্রেক্ষিতে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। যার ফলশ্রুতিতে চাঁদাবাজি ও দখলবাজি অধিকতর স্বাভাবিকতা লাভ করায় উক্ত ঘটনাগুলো ঘটছে, যা সরকারের জন্য অশনিসংকেত।’  

রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মধ্যরাতের তাণ্ডব : 

মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে ২৪ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। মুখোশধারী দুই শতাধিক ব্যক্তি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ঢুকে দুই নিরাপত্তাকর্মীকে জিম্মি করে এবং পরে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। ভবনের একটি অংশ ভেঙে ফেলার কাজে এক্সকাভেটর ব্যবহার করা হয়। হামলার সময় বাইরে পুলিশের গাড়ি ছিল এবং লুট করা মালামাল পিকআপে তোলার দৃশ্যও ফুটেজে দেখা গেছে।

এ ঘটনায় ঢাকা মহানগর পুলিশ জানিয়েছে, ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং দুই ট্রাক মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। ডিএমপি কমিশনার বলেছেন, পুলিশের কোনো সদস্যের দায়িত্বে অবহেলা বা গাফিলতি পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জলমহাল ঘিরে সংঘর্ষ, আহত অর্ধশত : 

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে জলমহালের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে ২৫ সেপ্টেম্বর বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়। আহতের সংখ্যা ২৫ থেকে অর্ধশতাধিক। সংঘর্ষে পুলিশ কর্মকর্তা ও সাংবাদিকও আহত হয়েছেন। জলমহালের মতো সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও ইজারা নিয়ে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই আলোচিত। অষ্টগ্রামের ঘটনায়ও স্থানীয় পর্যায়ে দলীয় অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের সঙ্গে জলমহালের নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি সামনে এসেছে। 

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা : 

২৬ সেপ্টেম্বর রাতে ইসিবি চত্বরের নিউ গিনি প্রপার্টিজ এলাকায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ব্রাউনফিশ স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। তার স্টুডওসহ আবাসন প্রকল্পের বিভিন্ন স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। 

সালমান মুক্তাদির প্রথমদিকে অভিযোগ করেন, চাঁদা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলা হয়েছে এবং বিএনপি-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দিকে তিনি অভিযোগের ইঙ্গিত করেন। অন্যদিকে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ঘটনাটির পেছনে নিউ গিনি প্রপার্টিজ ও পাশের জমির মালিকের মধ্যে ভূমি বিরোধ রয়েছে এবং স্টুডিওটি হামলাকারীদের মূল লক্ষ্য ছিল না। ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনজনকে আটক করার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

কেকে/ এমএস


আরও সংবাদ   বিষয়:  বিতর্ক   আস্থা   বিএনপি  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

খোলাকাগজ স্পেশাল- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close