ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপের মধ্যে মশা নিয়ন্ত্রণে দেশীয় উদ্ভাবনকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, নতুন প্রযুক্তির পরীক্ষামূলক প্রয়োগ সফল হলে মশা নিধনে কার্যকর ও টেকসই সমাধান পাওয়া যেতে পারে।
সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ইয়ুথ টু ওয়ার্ল্ড আয়োজিত মশা নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি শীর্ষক অনুষ্ঠানে অনলাইন প্লাটফর্মে যুক্ত হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ইয়ুথ টু ওয়ার্ল্ড-এর প্রধান উপদেষ্টা এ. এন. এইচ. আখতার হোসাইন এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এ্যাব)-এর আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম তুহিন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপেরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিন্টন।
অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বাংলাদেশি উদ্ভাবক এম. এ. হামিদ খান তার উদ্ভাবিত Mosquito Larvae Control Technology-এর কার্যকারিতা, উদ্ভাবনী কৌশল এবং মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে এর ব্যবহারিক সম্ভাবনা উপস্থাপন করেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘নতুন উদ্ভাবিত প্রযুক্তির পরীক্ষামূলক কাজ করা গেলে মশা নিধনে সিটি করপোরেশন এবং উদ্ভাবকদের যৌথ কর্মসূচি সফল হবে।’
ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া বিস্তারের বর্তমান মৌসুমে মশার লার্ভা নিধন করা প্রধান কাজ বলেও মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল।
উদ্ভাবক এম. এ. হামিদ খান বলেন, “বাংলাদেশের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ দেশীয় লার্ভা নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও উৎপাদন নিশ্চিত করা গেলে মশা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। একই সঙ্গে মান নিয়ন্ত্রণ জোরদার হবে, আমদানিনির্ভরতা কমবে এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ব্যয়সাশ্রয়ী ও টেকসই ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।’’
বক্তারা বলেন, দেশীয় উৎপাদন জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার পাশাপাশি নতুন শিল্প, কর্মসংস্থান, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং রপ্তানিমুখী অর্থনীতির নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে। এর মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পাশাপাশি বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য প্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশ একটি উদ্ভাবনী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে পারে।
কেকে/এলএ