জাতীয় পার্টি (জাপা) ২০২৫ সালের পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দিয়েছে।
আজ রোববার (২৬ জুলাই) ঢাকা উত্তর সিটির আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের কাছে গেল বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেন জাপার অতিরিক্ত মহাসচিব রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া।
জমা দেওয়া হিসাব থেকে জানা যায়, গেল বছরে দলটি আয়ের চেয়ে খরচ করেছে বেশি।
জমা দেওয়া হিসাবের তথ্যানুযায়ী, জাতীয় পার্টি গত বছরে আয় করেছে ১ কোটি ৮২ লাখ ৪২৭০ টাকা এবং ব্যয় হয়েছে ১ কোটি ৮৭ লাখ ৯৩ হাজার ৪৩৩। তবে বর্তমানে তাদের ব্যাংকে জমা আছে ৭৮ লাখ ৬১ হাজার ৭৩১টাকা।
রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, ‘২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আমাদের দলের আয় হয়েছে ১ কোটি ৮২ লাখ ৪ হাজার ২৭০ টাকা। ব্যয় হয়েছে ১ কোটি ৮৭ লাখ ৯৩ হাজার ৪৩৩। এক্ষেত্রে আমাদের ৫ লাখ ৭৯ হাজার ১৬৩ টাকা বেশি খরচ হয়েছে। অন্যদিকে গতবছরের (২০২৪) স্থিতিসহ ব্যাংকে জমা ছিল ২ কোটি ৬৬ লাখ ৫৫ হাজার ১৬৪ টাকা। ২০২৫ সালের খরচ শেষে এখন জমা আছে ৭৮ লাখ ৬১ হাজার ৭৩১ টাকা জমা আছে।’
এ বছর নির্বাচন হওয়ায় আমাদের খরচ বেশি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জাপার সমর্থিত প্রার্থী থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এবার স্থানীয় সরকার দলগতভাবে অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই। তারপরও বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনের বাইরে থাকে না, সমর্থন করে থাকে। গতবার আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রার্থী দিলেও এবার আমাদের প্রার্থীরা যার যার মতো অংশ নেবে এবং আমাদের তাতে সমর্থন থাকবে।’
সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিচারের দাবি প্রসঙ্গে এক প্রশ্নর জবাবে রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, ‘তিনি অসুস্থতাজনিত কারণে পদত্যাগ করেছেন। সেক্ষেত্রে তিনি রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন সংবিধান বিরোধী কার্যক্রম করেছিলেন কিনা দেখার বিষয়। ওই কার্যক্রম না করলে আমরা কেন তার গ্রেপ্তারের দাবি করবো? এ বিষয়ে জাপার কোন মন্তব্য নেই।’
আওয়ামী লীগের ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরে জাপায় ভাঙন হয়েছে, এর প্রভাব সম্পর্কে জানতে চাইলে দলটির তিনি বলেন, ‘যারা দল ভেঙেছিল, তাদের অধিকাংশই জিএম কাদেরের নেতৃত্বে ফিরে এসেছেন। আগামী নির্বাচনে (স্থানীয় সরকার) সারা দেশে আমরা ভালো করবো বলে বিশ্বাস করি এবং কিছু অঞ্চলভেদে আমাদের প্রার্থীরা ভালো রেজাল্ট করবে বলে প্রত্যাশা করি। আর এ ভাঙনের প্রভাব তৃণমূলে নেই।’
দুই অংশ একীভূত হওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে বলেও মনে করেন রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া।
কেকে/এমএ