সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য (আসন-৪) রেহেনা আক্তার রানু বলেছেন, ‘জামায়াত নির্বাচন চায়নি, নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করেছে। নির্বাচনের আগে ধোঁকাবাজি করেছে, জান্নাতের টিকিট বিক্রি করেছে। যারা স্বাধীনতার বিরোধীতা করেছিলো, আসছে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ওই গোষ্ঠিকে প্রত্যাখ্যান করতে হবে।’
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে নীলফামারীর মশিউর রহমান ডিগ্রি কলেজের একাডেমিক ভবন উর্দ্ধমুখীকরণ ও মসজিদ নির্মাণ কাজের উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কলেজ চত্বরে এ অনুষ্ঠনের আয়োজন করা হয়।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সাবেক সংসদ সদস্য ও অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (এ্যাব) আহ্বায়ক প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিএনপিকে আল্লাহ যদি রহমত দেন, তাহলে প্রধানমন্ত্রী যেভাবে হাল ধরেছেন, তাতে ইনশাআল্লাহ আগামী পাঁচ বছর পর দেখবেন, আমাদের দেশের আর্থসামাজিক অবস্থার একটা বিশাল পরিবর্তন হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ১৬-১৭ ঘণ্টা নিজে কাজ করেন। সকাল ৯টার মধ্যে সচিবালয়ে যান। রাত ১১টা-১২টায় বাসায় ফেরেন। তিনি হেটে মন্ত্রণালয়ে যান। সকালবেলা চেক করেন, ৯টার মধ্যে কোন মন্ত্রী অফিসে আসলেন, কোন মন্ত্রী আসলেন না। আমাদের দেশের মানুষের জন্য এ রকম লিডারশিপ দরকার।’
তারেক রহমানের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হচ্ছে উল্লেখ করে শাহরিন ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনের আগে যখন জামায়াতে ইসলামী জান্নাতের কার্ড দিয়ে বেড়াচ্ছে, তখন তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের কথা বলেছেন। আজকে এগুলো বাস্তব। ফ্যামিলি কার্ডের জন্য গোটা নীলফামারী জেলায় রিক্রুটমেন্ট চলছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন উপজেলায় ইতোমধ্যে অনেকে ফ্যামিলি কার্ড পেয়ে গেছেন। এখন আপনারা বাস্তবে থাকবেন নাকি হাওয়ায় জান্নাতে যাবেন, সেটি আপনারাই বিবেচনা করুন।’
মশিউর রহমান ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সোহায়েল পারভেজের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের প্রশাসক মিজানুর রহমান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা রংপুর অঞ্চলের পরিচালক অধ্যাপক গোলাম মাজেদ, নীলফামারী শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাজেরুল ইসলাম, শাহরিন ইসলাম চৌধুরীর তুহিনের সহধর্মিনী তামান্না ইয়াসমিন প্রমুখ।
মশিউর রহমান ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. শহিদুল ইসলাম জানান, শিক্ষা প্রকৌশল দপ্তরের অধীনে দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে কলেজের একাডেমিক ভবনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলার নির্মাণ কাজ এবং জেলা পরিষদের তিন লাখ টাকা ব্যয়ে কলেজ চত্বরে মসজিদ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়।
কেকে/এমএ