কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার পান্টি বাজারে বন্ধ দোকানঘর থেকে মো. হাবিবুল্লাহ (৩৮) নামে আদম ব্যবসায়ীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে ‘হাবিবুল্লাহ স্টিল ফার্নিচার’ নামে তার দোকান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত হাবিবুল্লাহ উপজেলার পান্টি গ্রামের হামিদ মুসল্লির ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুরে অবস্থান করার পর দেশে ফিরে স্টিল ফার্নিচারের ব্যবসায় শুরু করেন। পরে বিদেশে জনবল পাঠানোর (আদম ব্যবসায়) সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।
এ ব্যবসায়কে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৭ জুলাই) রাত থেকে হাবিবুল্লাহ নিখোঁজ ছিলেন। তবে নিখোঁজ হওয়ার পরও তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন সচল ছিল। এদিকে তার স্ত্রী ও একমাত্র সন্তান বেশ কিছু দিন ধরে ঝিনাইদহে শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান করছিলেন।
শনিবার সকালে দোকান থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বের হতে থাকলে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে তারা বিষয়টি কুমারখালী থানা পুলিশকে জানায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দোকানের ভেতরে বাঁশের আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পচনশীল ও অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে।
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন বলেন, ‘ঘটনাস্থলে গিয়ে দোকানের ভেতর থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করি। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহের অবস্থা দেখে ধারণা করা হচ্ছে, ৪-৫ দিন আগে তার মৃত্যু হয়েছে। লাশটি ফুলে গেছে এবং পচন ধরায় তাতে পোকাও জন্মেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এরপর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
কেকে/এমএ