শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬,
৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম: রামিসা হত্যা মামলার শুনানি হাইকোর্টে রোববার      তারেকের ভারত সফর ঘিরে নতুন সমীকরণ      গ্যাস-বিদ্যুতে অচলাবস্থা      আজ শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী      অসাম্প্রদায়িক সংস্কৃতি চর্চার আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর      ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প      তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে যা বললেন রণধীর জয়সওয়াল      
জাতীয়
চা-চাষ লালমনিরহাটে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে: ত্রাণমন্ত্রী
হাতীবান্ধা (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ১:১৫ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, চা-চাষ লালমনিরহাটের অর্থনীতি ও কৃষিতে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। পরিকল্পিত চাষাবাদ, আধুনিক পরিচর্যা, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সুষ্ঠু বিপণন নিশ্চিত করা গেলে এ অঞ্চলের চা-শিল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কৃষকের আয় বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সুদূরপ্রসারী ভূমিকা রাখতে পারে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার পূর্ব বিছনদই (ডাউয়াবাড়ী) এলাকায় জেলার প্রথম প্রতিষ্ঠিত ‘সোমা চা-বাগান’ পরিদর্শন শেষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, লালমনিরহাটের মাটি, ভূ-প্রকৃতি ও আবহাওয়া চা-চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। ইতোমধ্যে পার্শ্ববর্তী পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলার বিস্তীর্ণ সমভূমিতে চা-চাষের ব্যাপক প্রসার ঘটেছে। সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে লালমনিরহাটেও চা-শিল্পকে একটি শক্তিশালী ও লাভজনক কৃষিভিত্তিক শিল্পে পরিণত করা সম্ভব।

মন্ত্রী চা-শিল্পের বিকাশে সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভব সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বলেন, চা শুধু একটি কৃষিপণ্য নয়—এটি গ্রামীণ অর্থনীতির গতিশীলতা বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের বড় ক্ষেত্র হতে পারে। এ শিল্পের সঙ্গে কৃষক, শ্রমিক, উদ্যোক্তা, পরিবহন ও বিপণনসহ বহু মানুষ সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

রংপুর বিভাগের পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁওয়ের পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে চা-শিল্পে সম্ভাবনাময় জেলা হিসেবে এগিয়ে আসছে লালমনিরহাট। জেলার পাঁচটি উপজেলায় বর্তমানে প্রায় ২০০ একর জমিতে চা-বাগান গড়ে উঠেছে। এসব বাগানে প্রতিবছর প্রায় ১ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন চা পাতা উৎপাদিত হচ্ছে।

স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত চা পাতার প্রক্রিয়াজাতকরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক ও স্থানীয় চা-বাগান মালিকদের যৌথ উদ্যোগে ‘সোমা অ্যান্ড সোমা টি প্রসেসিং লিমিটেড’ নামে একটি চা প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এর ফলে স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদিত চা পাতার মূল্য সংযোজন ও বাজারজাতকরণের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, চা-শিল্পের সঙ্গে কৃষকের ভাগ্য ও এলাকার অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে যুক্ত করতে হবে। উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি উন্নত জাতের চারা, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, দক্ষ পরিচর্যা, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং বাজার সম্প্রসারণের দিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ ও স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় লালমনিরহাটের চা দেশের একটি উল্লেখযোগ্য ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান, চা-বাগানের উদ্যোক্তা শাহান আরা বেগম সোমা, ফেরদৌস আলমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন।

কেকে/এলএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  চা-চাষ   
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

জাতীয়- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close