বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, ‘সৌর বিদ্যুতের মানসম্মত উপকরণ আমদানি নিশ্চিত করতে স্পেসিফিকেশন চূড়ান্ত করেছি। অর্থাৎ কী কী মানের জিনিসপত্র আমদানি করা যাবে এবং বিদ্যুৎ বিভাগ এটা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে যাতে নিম্নমানের জিনিসপত্র বাংলাদেশ প্রবেশ করতে না পারে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ সব কথা বলেছেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘যে প্রতিষ্ঠান বা বাসা বাড়িতে সোলার প্যানেল ইন্সটল করছেন, তখন মানসম্মত লাগাচ্ছে কি না; তারা তা বুঝে নিবেন। আপনি যখন আপনার বাড়িতে একটা ফ্রিজ কিংবা টিভি কেনেন তখন তো দশটা জায়গা থেকে জেনে বুঝে কেনেন। কেন কেনেন? কারণ আপনি ভাল জিনিসটা কিনতে চান। ঠিক তেমনি আপনার বাড়ির ছাদে যখন রুফটপ সোলার ইন্সটল করবেন তখন জিনিসটা বুঝে নিবেন। বাড়ির ছাদে সোলার লাগানো ব্যক্তি বা সরকারি প্রতিষ্ঠান হোক না কেন; মানসম্মত জিনিসপত্র লাগাচ্ছে কি না তা বুঝে নেওয়ার দায়িত্ব রয়েছে।’
মেহেরপুর নার্সিং ইনস্টিটিউটসহ যেটা চালু হচ্ছে না সেগুলো দ্রুত চালু করার কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘আমরা সবচেয়ে যা বেশি গুরুত্ব দিতে চাচ্ছি স্বাস্থ্য ও শিক্ষাসেবা খাত। এখানকার জেলা উপজেলার হাসপাতালগুলোতে পদ আছে কিন্তু পদায়ন ঘটেনি। স্কুল-কলেজে শিক্ষক সংকট রয়েছে। ফলে স্বাস্থ্যখাতে আমরা কাঙ্খিত সেবা দিতে পারছি না। শিক্ষা খাতেও একই সমস্যা। এ সব পদ যদি আমরা দ্রুত পূরণ করতে পারি তবে তাৎক্ষণিকভাবে সেবার মান বাড়াতে পারবো।’
মেহেরপুর জেলার উন্নয়নে পাইপলাইনে থাকা প্রকল্পগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধান করা হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
এ ছাড়াও ধ্যপ্রাচ্যের সংকট কেটে গিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম স্থিতিশীল বা কমে এলে দেশের বাজারেও দ্রুত মূল্য সমন্বয়ের চেষ্টা সরকার করবে বলেও জানান বিদ্যুৎ জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী।
একদিনের সফরে সকালে সড়ক পথে কুষ্টিয়া থেকে মেহেরপুরে আসেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। বিকালে তিনি মেহেরপুর জেলা ত্যাগ করবেন।
কেকে/এআই