সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনির স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের জানাজা ও দাফনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে দীপু মনির প্যারোলে মুক্তির পর।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দীপু মনির বড় ভাই জে আর ওয়াদুদ টিপু।
বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে দীপু মনির আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম জানান, স্বামীর জানাজায় অংশ নিতে দীপু মনিকে প্যারোলে মুক্তির জন্য আবেদন করা হবে। এ বিষয়ে আবেদন করতে তার আইনজীবী ও স্বজনেরা বর্তমানে মুন্সীগঞ্জে অবস্থান করছেন।
ওয়াদুদ টিপু জানান, মঙ্গলবার রাত ১০টা ২৭ মিনিটে তৌফিক নেওয়াজের মৃত্যু হয়। তার জানাজা ও দাফন কোথায় এবং কখন হবে, তা বুধবার দুপুরের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
২০১৯ সালে স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তৌফিক নেওয়াজ। এরপর দীর্ঘদিন তিনি শয্যাশায়ী ছিলেন এবং নিয়মিত চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। গত ২৭ মে হুইলচেয়ারে করে তাকে কারাবন্দি স্ত্রী দীপু মনির সঙ্গে সাক্ষাৎ করাতে নিয়ে গিয়েছিলেন স্বজনেরা।
বর্তমানে মুন্সীগঞ্জের কারাগারে রয়েছেন দীপু মনি। প্যারোলে মুক্তি পেলে তিনি স্বামীর জানাজায় অংশ নিতে পারবেন বলে সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে জানা গেছে।
ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ছিলেন। আইন পেশার পাশাপাশি তিনি ধ্রুপদি সংগীতের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।
কেকে/সাশ