ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে বইয়ের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
তিনি বলেছেন, ‘শিক্ষার্থীদের ভালো বই পড়ার প্রতি উৎসাহিত করতে হবে। কারণ, আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনে দেশকে নেতৃত্ব দেবে।’
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ও বিকাশ আয়োজিত ‘যৌথ উদ্যোগে বইপড়া কর্মসূচির ১২ বছর’ উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত প্রীতি সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সম্মেলনে এহছানুল হক আরও বলেন, ‘আজকের ভবিষ্যৎ প্রজন্মই আগামী দিনে দেশকে নেতৃত্ব দেবে। তাই তাদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এ জন্য ছোটবেলা থেকেই শিক্ষার্থীদের ভালো বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে এবং বই পড়ায় উৎসাহিত করতে হবে।’
‘শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও আনন্দময় ও সৃজনশীল করে তুলতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে খেলাধুলা, সংস্কৃতি, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং আনন্দময় শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের এসব উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আগামী দিনে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করবে। শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, মানবিক মূল্যবোধ ও মননশীলতা বিকাশেও গুরুত্ব দিতে হবে।’
‘বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ‘করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি’ বা সামাজিক দায়বদ্ধতার কার্যক্রম সমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। মানবিক ও সৃজনশীল মানুষ গড়ে তুলতে রাষ্ট্রের পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকেও এগিয়ে আসতে হবে।’
তরুণ সমাজকে মাদক ও মোবাইল আসক্তি থেকে দূরে রাখতে ভালো বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্বারোপ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বই পড়ার মাধ্যমে তরুণদের জ্ঞান, মনন ও সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটানো সম্ভব।’
অনুষ্ঠানে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক খন্দকার মো. আসাদুজ্জামান এবং বিকাশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল কাদির বক্তব্য দেন।
কেকে/এমএ